
চট্টগ্রাম ব্যুরো

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায় প্রতিবেশী বাবু শেখ। এরই মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটির বাবার সঙ্গে বিরোধের জের ধরেই তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
এর আগে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় আট বছর বয়সী শিশু ইরাকে ওই জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় উদ্ধারের দুদিন পর শিশু ইরা মারা গেছে। এতে এ ঘটনায় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থানায় সংবাদ সম্মেলন করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন জানান, দুপুরে কুমিরা কাজী পাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাবু শেখকে।
গ্রেপ্তার বাবু শেখের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার মধ্যম পুলুপাড়ায়। সীতাকুণ্ড এলাকায় ইরা মনির পরিবারের পাশের ঘরে বসবাস করতেন তিনি।
বাবু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত শিশু ইরার বাবা মনিরের সঙ্গে বাবু শেখের বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জের ধরে মনিরের মেয়ে ইরাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।
সে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত রোববার চকলেট কিনে দেওয়া ও বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান বাবু শেখ। তারা বাসে করে প্রথমে সীতাকুণ্ড বাসস্ট্যান্ডে যান, তারপর সেখান থেকে যান গহীন জঙ্গলে।
পুলিশ বলছে, শিশুটিকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাবু শেখ। শিশুটি এ সময়।চিৎকার করলে ও। এ ঘটনা বাবাকে বলে দেবে বললে বাবু শেখ চাকু দিয়ে তার গলা কেটে জঙ্গলে ফেলে আসেন।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ বলেন, শিশুটিকে প্রথমে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাশের পাহাড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন প্রতিবেশী বাবু শেখ। শিশুটির চিৎকারে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হলে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেন। এরপর তাকে মৃত ভেবে পাহাড়ের খাদে ফেলে চলে যান বাবু শেখ।
শিশুটি শ্বাসনালী কাটা অবস্থাতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় তাকে দেখতে পান সেখানকার নির্মাণাধীন সড়কে কর্মরত শ্রমিকরা। শিশুটি কথা বলার চেষ্টা করলেও শ্বাসনালী কাটা থাকায় তার গলা থেকে কোনো শব্দ বের হয়নি।
এ সময় শ্রমিকরা শিশুটির গলায় কাপড় পেচিয়ে সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত বালুর গাড়িতে করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে রোববারই তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শুরুতে অস্ত্রোপচারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। পরে তাকে নাক, কান ও গলা ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেলে (ওসিসিতে) নেওয়ার পর আবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাকে স্থানান্তর করা হয় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মঙ্গলবার ভোরের দিকে তার মৃত্যু হয়।
শিশুটিকে উদ্ধারের সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মেয়েটির মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলা করলে পুলিশ অপরাধীকে ধরতে তৎপর হয়ে ওঠে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঘটনার দিন রোববার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটের দিকে শিশু ইরা মনির হাত ধরে ইকো পার্কের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবু শেখ। এর সূত্র ধরেই মঙ্গলবার কুমিরা ইউনিয়নের ছোট কুমিরা কাজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ বলছে, এ ঘটনার পেছনে আর কোন কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না, তা ফরেনসিক প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে।

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায় প্রতিবেশী বাবু শেখ। এরই মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটির বাবার সঙ্গে বিরোধের জের ধরেই তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
এর আগে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় আট বছর বয়সী শিশু ইরাকে ওই জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় উদ্ধারের দুদিন পর শিশু ইরা মারা গেছে। এতে এ ঘটনায় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড থানায় সংবাদ সম্মেলন করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন জানান, দুপুরে কুমিরা কাজী পাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাবু শেখকে।
গ্রেপ্তার বাবু শেখের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার মধ্যম পুলুপাড়ায়। সীতাকুণ্ড এলাকায় ইরা মনির পরিবারের পাশের ঘরে বসবাস করতেন তিনি।
বাবু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত শিশু ইরার বাবা মনিরের সঙ্গে বাবু শেখের বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জের ধরে মনিরের মেয়ে ইরাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।
সে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত রোববার চকলেট কিনে দেওয়া ও বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান বাবু শেখ। তারা বাসে করে প্রথমে সীতাকুণ্ড বাসস্ট্যান্ডে যান, তারপর সেখান থেকে যান গহীন জঙ্গলে।
পুলিশ বলছে, শিশুটিকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাবু শেখ। শিশুটি এ সময়।চিৎকার করলে ও। এ ঘটনা বাবাকে বলে দেবে বললে বাবু শেখ চাকু দিয়ে তার গলা কেটে জঙ্গলে ফেলে আসেন।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ বলেন, শিশুটিকে প্রথমে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাশের পাহাড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন প্রতিবেশী বাবু শেখ। শিশুটির চিৎকারে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হলে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেন। এরপর তাকে মৃত ভেবে পাহাড়ের খাদে ফেলে চলে যান বাবু শেখ।
শিশুটি শ্বাসনালী কাটা অবস্থাতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় তাকে দেখতে পান সেখানকার নির্মাণাধীন সড়কে কর্মরত শ্রমিকরা। শিশুটি কথা বলার চেষ্টা করলেও শ্বাসনালী কাটা থাকায় তার গলা থেকে কোনো শব্দ বের হয়নি।
এ সময় শ্রমিকরা শিশুটির গলায় কাপড় পেচিয়ে সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত বালুর গাড়িতে করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে রোববারই তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শুরুতে অস্ত্রোপচারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। পরে তাকে নাক, কান ও গলা ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেলে (ওসিসিতে) নেওয়ার পর আবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাকে স্থানান্তর করা হয় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মঙ্গলবার ভোরের দিকে তার মৃত্যু হয়।
শিশুটিকে উদ্ধারের সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মেয়েটির মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলা করলে পুলিশ অপরাধীকে ধরতে তৎপর হয়ে ওঠে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঘটনার দিন রোববার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটের দিকে শিশু ইরা মনির হাত ধরে ইকো পার্কের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবু শেখ। এর সূত্র ধরেই মঙ্গলবার কুমিরা ইউনিয়নের ছোট কুমিরা কাজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ বলছে, এ ঘটনার পেছনে আর কোন কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না, তা ফরেনসিক প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে