
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম জেলার ১৬ থানার মধ্যে ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়।
প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও জেলার পুলিশের মুখপাত্র আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।
এই ১২ জন হলেন, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মীর মো. নুরুল হুদা, হাটহাজারীর মো.মনিরুজ্জামান, রাউজানের জাহিদ হোসেন, আনোয়ারার মোল্লা জাকির হোসেন, পটিয়ান থানার জসীম উদ্দিন, চন্দনাইশ থানার ওবায়দুল ইসলাম, সাতকানিয়া থানার মিজানুর রহমান, ভূজপুর থানার মো. কামরুজ্জামান, বোয়ালখালী থানার মো. আহছাব উদ্দিন, বাঁশখালী থানার তোফায়েল আহমেদ, মিরসরাই থানার মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম ও সন্দ্বীপ থানার মো.কবির হোসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত এক পুলিশ সুপার বলেন, ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসব থানায় নতুন ওসি পদায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ওসিদের পদায়ন করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলার ১৬ থানার মধ্যে ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়।
প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও জেলার পুলিশের মুখপাত্র আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।
এই ১২ জন হলেন, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মীর মো. নুরুল হুদা, হাটহাজারীর মো.মনিরুজ্জামান, রাউজানের জাহিদ হোসেন, আনোয়ারার মোল্লা জাকির হোসেন, পটিয়ান থানার জসীম উদ্দিন, চন্দনাইশ থানার ওবায়দুল ইসলাম, সাতকানিয়া থানার মিজানুর রহমান, ভূজপুর থানার মো. কামরুজ্জামান, বোয়ালখালী থানার মো. আহছাব উদ্দিন, বাঁশখালী থানার তোফায়েল আহমেদ, মিরসরাই থানার মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম ও সন্দ্বীপ থানার মো.কবির হোসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত এক পুলিশ সুপার বলেন, ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসব থানায় নতুন ওসি পদায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ওসিদের পদায়ন করা হবে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে