
কক্সবাজার প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের চারজনকে নিয়ে একটি ফিশিং ট্রলার ডুবে গেছে। এ সময় তিন কিউই পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এক কিশোরের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক চ্যানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই ফিশিং ট্রলারটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ কিশোরের নাম আলবার্ট (১৬)। জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন— জন এডওয়ার্ড (৭৪), বেলা (৩৬) ও রাল্ফ (১৩)।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা এক কিশোর সাগরে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডের ওই পরিবারের সদস্যরা কয়েক দিন আগে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সকালে একটি ফিশিং ট্রলারে করে তারা সাগরে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। নাজিরারটেক চ্যানেল এলাকায় উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ভেঙে গেলে চারজনই সাগরে পড়ে যান।
স্থানীয় জেলেরা দ্রুত সেখানে গিয়ে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও আলবার্টকে খুঁজে পাননি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল সেখানে অভিযান শুরু করে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে সাগরে অভিযান চলছে। যে তিনজনকে উদ্ধার করা গেছে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের চারজনকে নিয়ে একটি ফিশিং ট্রলার ডুবে গেছে। এ সময় তিন কিউই পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এক কিশোরের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক চ্যানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই ফিশিং ট্রলারটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ কিশোরের নাম আলবার্ট (১৬)। জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন— জন এডওয়ার্ড (৭৪), বেলা (৩৬) ও রাল্ফ (১৩)।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা এক কিশোর সাগরে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডের ওই পরিবারের সদস্যরা কয়েক দিন আগে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সকালে একটি ফিশিং ট্রলারে করে তারা সাগরে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। নাজিরারটেক চ্যানেল এলাকায় উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ভেঙে গেলে চারজনই সাগরে পড়ে যান।
স্থানীয় জেলেরা দ্রুত সেখানে গিয়ে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও আলবার্টকে খুঁজে পাননি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল সেখানে অভিযান শুরু করে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে সাগরে অভিযান চলছে। যে তিনজনকে উদ্ধার করা গেছে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অপহৃত জেলেরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)।
২ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। গ্রেপ্তার দুজন হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার মুগ্ধ দাস ও তাঁর মামাতো ভাইয়ের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
২ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
২ দিন আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
২ দিন আগে