
নোয়াখালী প্রতিনিধি

ইতালির রাজধানী রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নিহতরা হলেন— নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) এবং পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরওয়া ইসলাম আরিশা। একই ঘটনায় তাদের ছেলে আমির হোসেন অয়ন (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।
এদিকে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর আগে পরিবারটির গ্রামের বাড়িতে ডাকাত দলের একটি উড়ো চিঠি এসেছিল বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। ওই চিঠিতে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা-পয়সা দাবি করা হয়। দাবি পূরণ না হলে প্রবাসী ছেলে ও নাতিকে হত্যার পাশাপাশি পরিবারের নারী সদস্যদের নির্যাতনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সে সময় থানাকেও জানিয়েছিল পরিবার।
জানা গেছে, ইতালির পুলিশ ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। তারা আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পাশাপাশি এক বাংলাদেশি নাগরিককে খুঁজছে। অন্যদিকে, বছরখানেক আগে আসা ওই উড়ো চিঠিকে ঘিরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বাড়িতে নতুন করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, বিদেশের মাটিতে একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে হারানোর ঘটনা শুধু স্বজনদের নয়, পুরো প্রবাসী সমাজকে নাড়া দিয়েছে।
স্বজনরা জানান, প্রায় এক বছর আগে স্ত্রী-সন্তানসহ দেশে বেড়াতে এসেছিলেন কামাল উদ্দিন। সে সময় তার বাবা সিরাজুল ইসলামের নামে একটি উড়ো চিঠি আসে। চিঠিতে কামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘জনাব সিরাজ মিয়া আশা করি ভালো আছেন। রাতে আপনার সঙ্গে ঘরে দেখা হবে। আর আমরা আসলে আমাদের চাহিদামতো টাকাপয়সা ও স্বর্ণালংকার না পাই, আপনার ছেলেকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেবো।’
চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘শিগগিরই তোমার বাড়িতে আসতেছি। যদি তোমার ছেলে, নাতি ও বউয়ের ইজ্জত বাঁচাতে চাও তাহলে টাকা ও গহনাগাটি সব আমাদের চাহিদা মতো রাখবে, যাতে আমরা খালি হাতে না ফিরি। আমরা জানি তোমার ঘরে প্রচুর গহনাগাঁটি আছে। এসব না পেলে তোমার ছেলে ও নাতিকে দুনিয়া ছাড়া করব। আর তোমার ছেলের বউকে ধর্ষণ করব। ইতি তোমাদের স্নেহধন্য লাল শাহ ডাকাত, লাল বাহিনীর প্রধান।’
পরিবার সূত্রে জানা যায়, উড়ো চিঠি পাওয়ার পর কামাল উদ্দিনের পরিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে মোবাইল টিমও পাঠিয়েছিল। তবে লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় বিষয়টি আর এগোয়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এএসআই বিজয় চন্দ্র দাস বলেন, ‘উড়ো চিঠির বিষয়ে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে আমাদের জানানোর পর আমরা ৪/৫টা মোবাইল টিম সে এলাকায় গিয়েছি এবং আমরা খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু তারা কোনও লিখিত দেয়নি। এ বিষয়ে আমাদের কাছে আর কোনো তথ্য নেই।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জে নিহত কামাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শোকের মাতম দেখা যায়। শোকাহত পরিবারকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন স্বজনরা।

ইতালির রাজধানী রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নিহতরা হলেন— নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) এবং পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরওয়া ইসলাম আরিশা। একই ঘটনায় তাদের ছেলে আমির হোসেন অয়ন (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।
এদিকে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর আগে পরিবারটির গ্রামের বাড়িতে ডাকাত দলের একটি উড়ো চিঠি এসেছিল বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। ওই চিঠিতে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা-পয়সা দাবি করা হয়। দাবি পূরণ না হলে প্রবাসী ছেলে ও নাতিকে হত্যার পাশাপাশি পরিবারের নারী সদস্যদের নির্যাতনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সে সময় থানাকেও জানিয়েছিল পরিবার।
জানা গেছে, ইতালির পুলিশ ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। তারা আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পাশাপাশি এক বাংলাদেশি নাগরিককে খুঁজছে। অন্যদিকে, বছরখানেক আগে আসা ওই উড়ো চিঠিকে ঘিরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বাড়িতে নতুন করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, বিদেশের মাটিতে একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে হারানোর ঘটনা শুধু স্বজনদের নয়, পুরো প্রবাসী সমাজকে নাড়া দিয়েছে।
স্বজনরা জানান, প্রায় এক বছর আগে স্ত্রী-সন্তানসহ দেশে বেড়াতে এসেছিলেন কামাল উদ্দিন। সে সময় তার বাবা সিরাজুল ইসলামের নামে একটি উড়ো চিঠি আসে। চিঠিতে কামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘জনাব সিরাজ মিয়া আশা করি ভালো আছেন। রাতে আপনার সঙ্গে ঘরে দেখা হবে। আর আমরা আসলে আমাদের চাহিদামতো টাকাপয়সা ও স্বর্ণালংকার না পাই, আপনার ছেলেকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেবো।’
চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘শিগগিরই তোমার বাড়িতে আসতেছি। যদি তোমার ছেলে, নাতি ও বউয়ের ইজ্জত বাঁচাতে চাও তাহলে টাকা ও গহনাগাটি সব আমাদের চাহিদা মতো রাখবে, যাতে আমরা খালি হাতে না ফিরি। আমরা জানি তোমার ঘরে প্রচুর গহনাগাঁটি আছে। এসব না পেলে তোমার ছেলে ও নাতিকে দুনিয়া ছাড়া করব। আর তোমার ছেলের বউকে ধর্ষণ করব। ইতি তোমাদের স্নেহধন্য লাল শাহ ডাকাত, লাল বাহিনীর প্রধান।’
পরিবার সূত্রে জানা যায়, উড়ো চিঠি পাওয়ার পর কামাল উদ্দিনের পরিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে মোবাইল টিমও পাঠিয়েছিল। তবে লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় বিষয়টি আর এগোয়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এএসআই বিজয় চন্দ্র দাস বলেন, ‘উড়ো চিঠির বিষয়ে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে আমাদের জানানোর পর আমরা ৪/৫টা মোবাইল টিম সে এলাকায় গিয়েছি এবং আমরা খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু তারা কোনও লিখিত দেয়নি। এ বিষয়ে আমাদের কাছে আর কোনো তথ্য নেই।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জে নিহত কামাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শোকের মাতম দেখা যায়। শোকাহত পরিবারকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন স্বজনরা।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
১ দিন আগে
নাটোরের লালপুর উপজেলার ডহরশলা এলাকায় একতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুলনাগামী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১ দিন আগে
আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সুমন দাস (৪৫), হৃদয় হাওলাদার (২৬), হাবিবুল্লাহ শেখ (২৮), ফিরোজ শেখ (৬৫) ও মোতালেব হোসেন (৪৮)। তারা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
২ দিন আগে
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে