
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবার পর তিন ভাই-বোনের কেউই বাঁচতে পারেনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন কেবল মা। তার সেই লড়াইয়েরও অবসান ঘটেছে। তিনিও পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
এর মধ্য দিয়ে ওই বিস্ফোরণের দগ্ধ পাঁচজনের কেউই আর বেঁচে থাকতে পারলেন না। এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারের সবার প্রাণ।
শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ সালমা আক্তারের (৩০) মৃত্যু হয়।
গত রোববারের ওই বিস্ফোরণের পরদিন সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আবুল কালাম (৩৫)। একদিন পর বুধবার মারা যায় চার বছর বয়সী মেয়ে কথা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ও দুপুরে বাকি দুই ভাইবোন মুন্না (১২) ও মুন্নির (৭) মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সালমার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বিশেষ করে শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সেখানেই শুক্রবার সকালে মারা গেছেন তিনি।
গত রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনের বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দ শোনার পর তারা ওই ঘরের ভেতরে আগুন দেখতে পান। এ পরে বাসা থেকে দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবার পর তিন ভাই-বোনের কেউই বাঁচতে পারেনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন কেবল মা। তার সেই লড়াইয়েরও অবসান ঘটেছে। তিনিও পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
এর মধ্য দিয়ে ওই বিস্ফোরণের দগ্ধ পাঁচজনের কেউই আর বেঁচে থাকতে পারলেন না। এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারের সবার প্রাণ।
শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ সালমা আক্তারের (৩০) মৃত্যু হয়।
গত রোববারের ওই বিস্ফোরণের পরদিন সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আবুল কালাম (৩৫)। একদিন পর বুধবার মারা যায় চার বছর বয়সী মেয়ে কথা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ও দুপুরে বাকি দুই ভাইবোন মুন্না (১২) ও মুন্নির (৭) মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সালমার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বিশেষ করে শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সেখানেই শুক্রবার সকালে মারা গেছেন তিনি।
গত রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনের বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দ শোনার পর তারা ওই ঘরের ভেতরে আগুন দেখতে পান। এ পরে বাসা থেকে দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে