
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরি ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাঁচ দিনের এ উদ্ধার অভিযানে ডুবে যাওয়া ওই বাস থেকে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে গোয়ালন্দের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস এ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
ইউএনও সাথী দাস জানান, ২৫ মার্চ বিকেলে দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুন থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যায়। ওই রাতেই ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২৬ মার্চ সকালে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
২৬ মার্চই উদ্ধার হওয়া সব মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নদীতে আরও মরদেহ আছে কি না, তা তল্লাশির জন্য উদ্ধার প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নতুন করে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে কারও স্বজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কেউ দাবিও করেনি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উদ্ধার অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
পাঁচ দিন ধরে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।
ইউএনও জানান, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হলেও উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল ঘাটেই থাকবে। প্রয়োজনে তারা আবার উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে আবারও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিয়ে আসা হবে।
এর আগে গত ২৫ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার পথে রওয়ানা দেওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বেশির ভাগ যাত্রী ডুবে যান। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে টেনে তোলে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।
এ ঘটনায় আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বিআরটিএ।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরি ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাঁচ দিনের এ উদ্ধার অভিযানে ডুবে যাওয়া ওই বাস থেকে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে গোয়ালন্দের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস এ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
ইউএনও সাথী দাস জানান, ২৫ মার্চ বিকেলে দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুন থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যায়। ওই রাতেই ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২৬ মার্চ সকালে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
২৬ মার্চই উদ্ধার হওয়া সব মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নদীতে আরও মরদেহ আছে কি না, তা তল্লাশির জন্য উদ্ধার প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নতুন করে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে কারও স্বজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কেউ দাবিও করেনি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উদ্ধার অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
পাঁচ দিন ধরে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।
ইউএনও জানান, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হলেও উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল ঘাটেই থাকবে। প্রয়োজনে তারা আবার উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে আবারও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিয়ে আসা হবে।
এর আগে গত ২৫ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার পথে রওয়ানা দেওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বেশির ভাগ যাত্রী ডুবে যান। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে টেনে তোলে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।
এ ঘটনায় আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বিআরটিএ।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে