
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বাসডুবির ঘটনা তদন্তে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। দুটি কমিটিকেই ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাতে দুর্ঘটনাস্থল দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে নৌ পরিহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান তদন্ত কমিটি দুটির তথ্য জানান।
এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নদী থেকে। সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন আট-দশজন। দুর্ঘটনার ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় পর বাসটি উদ্ধার করা হয়। এখনো বাসে থাকা অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আরও একটি কমিটি করা হয়েছে।
রাজিব আহসান আরও বলেন, দুটি কমিটিই তিন কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের প্রতিবেদন দেবে। এরপর আমরা জানতে পারব কী ঘটেছিল।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। কুমারখালী কাউন্টার মাস্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাসটিতে ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। বাসের, চালক, সহকারী, সুপারভাইজার মিলিয়ে মোট ৫০ জনের মতো ছিলেন।
বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পর পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। ঘণ্টাদুয়েক পর উদ্ধারকাজে যোগ দেয় বিআইডাব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। তবে ঝড়-বৃষ্টির পাশাপাশি নদীতে তীব্র ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ শুরু করতেই অনেক সময় লেগে যায়।
প্রায় ছয় ঘণ্টায় চেষ্টায় মধ্যরাতে বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটি ওপরে তোলে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একে একে ১৬টি মরদেহ বাস থেকে উদ্ধার করে। আগেই দুজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮।
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান, বুধবার রাতভর উদ্ধারকাজ চলবে। সকালে উদ্ধার তৎপরতা আরও বাড়বে।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বাসডুবির ঘটনা তদন্তে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। দুটি কমিটিকেই ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাতে দুর্ঘটনাস্থল দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে নৌ পরিহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান তদন্ত কমিটি দুটির তথ্য জানান।
এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নদী থেকে। সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন আট-দশজন। দুর্ঘটনার ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় পর বাসটি উদ্ধার করা হয়। এখনো বাসে থাকা অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আরও একটি কমিটি করা হয়েছে।
রাজিব আহসান আরও বলেন, দুটি কমিটিই তিন কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের প্রতিবেদন দেবে। এরপর আমরা জানতে পারব কী ঘটেছিল।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। কুমারখালী কাউন্টার মাস্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাসটিতে ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। বাসের, চালক, সহকারী, সুপারভাইজার মিলিয়ে মোট ৫০ জনের মতো ছিলেন।
বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পর পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। ঘণ্টাদুয়েক পর উদ্ধারকাজে যোগ দেয় বিআইডাব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। তবে ঝড়-বৃষ্টির পাশাপাশি নদীতে তীব্র ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ শুরু করতেই অনেক সময় লেগে যায়।
প্রায় ছয় ঘণ্টায় চেষ্টায় মধ্যরাতে বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটি ওপরে তোলে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একে একে ১৬টি মরদেহ বাস থেকে উদ্ধার করে। আগেই দুজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮।
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান, বুধবার রাতভর উদ্ধারকাজ চলবে। সকালে উদ্ধার তৎপরতা আরও বাড়বে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১২ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে