খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা : আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সায়মন নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন।

তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত সায়মনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় তেজগাঁও এলাকার স্থানীয় এ আওয়ামী লীগ নেতাকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এর আগে, বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ৬ এপ্রিল মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে কারওয়ান বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তখন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনী প্রচার চলছিল। বেগম খালেদা জিয়া সেই নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তাবিথ আওয়ালের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।

এ সময় তার গাড়িবহরে হামলা করেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের লোকজন। এ ঘটনার ১০ বছর পর ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৫ আগস্ট ঘিরে আয়োজন, চট্টগ্রামে ১৫ আইনজীবী গ্রেপ্তার

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১ দিন আগে

রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল ৪ জনের, আহত ২

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

১ দিন আগে

ফতুল্লায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, ৩ পুলিশসহ আহত ৪

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও

২ দিন আগে

সীতাকুণ্ডের জাহাজে মিলল মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির

২ দিন আগে