
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া দুটি পরিত্যক্ত ব্যাগে ‘বোমাসদৃশ’ বস্তু ঘিরে শনিবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুটি স্থানেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (১ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে উদ্ধার হওয়া ব্যাগে পাওয়া গেছে জর্দার কৌটা ও পান। আর ফার্মগেটে পাওয়া বস্তাতেও কোনো বিস্ফোরক মেলেনি।
ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পড়ে থাকার খবর পেয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে যায়।
প্রাথমিকভাবে ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর ছবি দেখা যায়। পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এরপর ব্যাগটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে ছিল জর্দার একটি কৌটা ও পান। ব্যাগটিতে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
এদিকে তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত একটি বস্তাকে ঘিরেও একই ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ডিএমপির সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, ফার্মগেটে উদ্ধার হওয়া বস্তার ভেতরেও কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু ছিল না।

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া দুটি পরিত্যক্ত ব্যাগে ‘বোমাসদৃশ’ বস্তু ঘিরে শনিবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুটি স্থানেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (১ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে উদ্ধার হওয়া ব্যাগে পাওয়া গেছে জর্দার কৌটা ও পান। আর ফার্মগেটে পাওয়া বস্তাতেও কোনো বিস্ফোরক মেলেনি।
ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পড়ে থাকার খবর পেয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে যায়।
প্রাথমিকভাবে ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর ছবি দেখা যায়। পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এরপর ব্যাগটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে ছিল জর্দার একটি কৌটা ও পান। ব্যাগটিতে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
এদিকে তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত একটি বস্তাকে ঘিরেও একই ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ডিএমপির সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, ফার্মগেটে উদ্ধার হওয়া বস্তার ভেতরেও কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু ছিল না।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে