
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ১২ বছর বয়সী ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণীকে একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় কয়েকজন মারধর করছেন। কয়েকজন নারী তার চুল কাটছেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। পাশের একটি খুঁটির সঙ্গে তার ছোট বোনকেও বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে করা মামলায় শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আফসানা বেগম ও আমির। তাদেরসহ মামলায় মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাঁদপুরে নদীভাঙনে গৃহহীন হয়ে পরিবারটি ভেদরগঞ্জে চলে আসে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে তারা উপজেলার একটি গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন।
পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির পাশের মুদিদোকানের মালিক মনির হোসেন মোল্যা প্রায়ই ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন। মঙ্গলবার সকালে তরুণী তার ১২ বছর বয়সী বোন ও আট বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে যান। পরিবারের ভাষ্য, সেখানে মনির তাকে কুপ্রস্তাব দেন।
বিষয়টি মা-বাবাকে জানাবেন বলে তরুণী তাকে সতর্ক করেন। এরপর চুরির অভিযোগ তুলে তিন ভাই-বোনকে পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যানটিনে আটকে রাখা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তাদের ভাড়া বাসার মালিকের একটি ঘরেও আটকে রাখা হয়।
একপর্যায়ে মনির হোসেন, বাড়ির মালিক ফৌজিয়া সরদার, তার আত্মীয় নিশি আক্তার ও আফসানা বেগম ওই তরুণী ও তার ছোট বোনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এ সময় তরুণীর গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং মাথার কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, মঙ্গলবার রাতে তিনি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ তাকে আটক করলেও গভীর রাতে ছেড়ে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রামে আশ্রয় নেন।
পরে শুক্রবার রাতে মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে জানান তিনি। তরুণীর মায়ের ভাষ্য, ‘প্রতিবাদ করায় মেয়েকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য আমরা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি।’
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, মঙ্গলবার চাল, ডাল ও তেল কিনতে গেলে মনির তাকে একটি কোমল পানীয় খেতে দেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে পাশের একটি ক্যানটিনে আটকে রাখা হয়। পরে কয়েকজন তাকে ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে ফৌজিয়া সরদার ও তার দুই আত্মীয় তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন এবং চুল কেটে দেন। তার ভাষ্য, কান্নাকাটি করে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তাকে ছাড়া হয়নি। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। মামলার আগে শুক্রবার বিকেলে তিনি এলাকাতেই ছিলেন। ওই সময় তিনি বলেন, তিনি কখনো ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করেননি। তার দাবি, তরুণী তার দোকান থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছিলেন। এ কারণে তাকে পাশের একটি ক্যানটিনে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।
মনিরের ভাষ্য, পরে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হয়। বকেয়া ভাড়ার টাকা আদায়ের জন্য বাড়ির মালিক ওই তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন। মঙ্গলবার তাকে পুলিশ আটক করেছিল। পরে স্থানীয় মুরব্বিরা থানা থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে শুক্রবার ছৈয়ালকান্দি এলাকায় ফৌজিয়া সরদারের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন জানান, সাংবাদিকেরা এলাকায় এসেছেন— এমন খবর পেয়ে তিনি ও তার দুই সহযোগী বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মনিরেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, তরুণীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে তাঁরা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ১২ বছর বয়সী ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণীকে একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় কয়েকজন মারধর করছেন। কয়েকজন নারী তার চুল কাটছেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। পাশের একটি খুঁটির সঙ্গে তার ছোট বোনকেও বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে করা মামলায় শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আফসানা বেগম ও আমির। তাদেরসহ মামলায় মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাঁদপুরে নদীভাঙনে গৃহহীন হয়ে পরিবারটি ভেদরগঞ্জে চলে আসে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় তিন মাস আগে তারা উপজেলার একটি গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন।
পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির পাশের মুদিদোকানের মালিক মনির হোসেন মোল্যা প্রায়ই ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন। মঙ্গলবার সকালে তরুণী তার ১২ বছর বয়সী বোন ও আট বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে যান। পরিবারের ভাষ্য, সেখানে মনির তাকে কুপ্রস্তাব দেন।
বিষয়টি মা-বাবাকে জানাবেন বলে তরুণী তাকে সতর্ক করেন। এরপর চুরির অভিযোগ তুলে তিন ভাই-বোনকে পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যানটিনে আটকে রাখা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তাদের ভাড়া বাসার মালিকের একটি ঘরেও আটকে রাখা হয়।
একপর্যায়ে মনির হোসেন, বাড়ির মালিক ফৌজিয়া সরদার, তার আত্মীয় নিশি আক্তার ও আফসানা বেগম ওই তরুণী ও তার ছোট বোনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এ সময় তরুণীর গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং মাথার কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সখিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, মঙ্গলবার রাতে তিনি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ তাকে আটক করলেও গভীর রাতে ছেড়ে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রামে আশ্রয় নেন।
পরে শুক্রবার রাতে মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে জানান তিনি। তরুণীর মায়ের ভাষ্য, ‘প্রতিবাদ করায় মেয়েকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য আমরা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি।’
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, মঙ্গলবার চাল, ডাল ও তেল কিনতে গেলে মনির তাকে একটি কোমল পানীয় খেতে দেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে পাশের একটি ক্যানটিনে আটকে রাখা হয়। পরে কয়েকজন তাকে ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে ফৌজিয়া সরদার ও তার দুই আত্মীয় তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন এবং চুল কেটে দেন। তার ভাষ্য, কান্নাকাটি করে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তাকে ছাড়া হয়নি। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনির হোসেন। মামলার আগে শুক্রবার বিকেলে তিনি এলাকাতেই ছিলেন। ওই সময় তিনি বলেন, তিনি কখনো ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করেননি। তার দাবি, তরুণী তার দোকান থেকে কিছু মালামাল চুরি করেছিলেন। এ কারণে তাকে পাশের একটি ক্যানটিনে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।
মনিরের ভাষ্য, পরে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হয়। বকেয়া ভাড়ার টাকা আদায়ের জন্য বাড়ির মালিক ওই তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন। মঙ্গলবার তাকে পুলিশ আটক করেছিল। পরে স্থানীয় মুরব্বিরা থানা থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে শুক্রবার ছৈয়ালকান্দি এলাকায় ফৌজিয়া সরদারের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন জানান, সাংবাদিকেরা এলাকায় এসেছেন— এমন খবর পেয়ে তিনি ও তার দুই সহযোগী বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মনিরেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, তরুণীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রথম দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে তাঁরা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে