
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘কৃষক কার্ড’ পাওয়া কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় কৃষি মন্ত্রণালয়ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল, যার প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে দিন তার হাত থেকে এই কার্ড গ্রহণ করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন।
ওই অনুষ্ঠানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কবির হোসেনের কৃষক পরিচয় বিতর্ক তৈরি হয়। তার আরও কিছু ছবি ফেসবুকে পাওয়া যায়, যেগুলোতে তাকে ধনাঢ্য ব্যক্তি হিসেবে দাবি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ কি না— তা জানতে জেলা প্রশাসনের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক শরীফা হক ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রণালয়কে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন প্রান্তিক কৃষক কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশয় প্রকাশিত হয়েছে। এ অবস্থায় ‘প্রকৃত সত্য’ উদঘাটনে বুধবার পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্তের ফলাফল তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী তিনি ‘প্রান্তিক কৃষক’ হিসেবে কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেসব কৃষক অর্ধ একরের কম জমির মালিক, তারা প্রান্তিক কৃষক।
এর আগে মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে ১৫ জন কিষাণ-কিষাণির হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ২২ হাজার প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে পাঠিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, দেশের ১১ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং চলছে। এরপর ১৫ উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম চলবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘কৃষক কার্ড’ পাওয়া কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় কৃষি মন্ত্রণালয়ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল, যার প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে দিন তার হাত থেকে এই কার্ড গ্রহণ করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন।
ওই অনুষ্ঠানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কবির হোসেনের কৃষক পরিচয় বিতর্ক তৈরি হয়। তার আরও কিছু ছবি ফেসবুকে পাওয়া যায়, যেগুলোতে তাকে ধনাঢ্য ব্যক্তি হিসেবে দাবি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ কি না— তা জানতে জেলা প্রশাসনের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক শরীফা হক ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রণালয়কে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন প্রান্তিক কৃষক কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশয় প্রকাশিত হয়েছে। এ অবস্থায় ‘প্রকৃত সত্য’ উদঘাটনে বুধবার পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্তের ফলাফল তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী তিনি ‘প্রান্তিক কৃষক’ হিসেবে কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেসব কৃষক অর্ধ একরের কম জমির মালিক, তারা প্রান্তিক কৃষক।
এর আগে মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে ১৫ জন কিষাণ-কিষাণির হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ২২ হাজার প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে পাঠিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, দেশের ১১ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং চলছে। এরপর ১৫ উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম চলবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে