
রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায়ের (৬৫) গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কুশা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তারাগঞ্জ থানার এসআই ছাইয়ুম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবনা রায় রহিমাপুর চাকলা গ্রামে বসবাস করতেন।
ওই দম্পতির বড় ছেলে সুবেন চন্দ্র রায় পুলিশের এএসআই হিসাবে জয়পুরহাটে ও ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত।
মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির বাড়ির কাজের লোক দিপক রায় জানান, প্রতিদিনের মত আজ সকালে বাড়ির গেটের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন তিনি। তবে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে গ্রামের কয়েকজনসহ মই দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে তাদের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফাইয়ুম তালুকদার বলেন, 'ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।'

রংপুরের তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায়ের (৬৫) গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কুশা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তারাগঞ্জ থানার এসআই ছাইয়ুম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবনা রায় রহিমাপুর চাকলা গ্রামে বসবাস করতেন।
ওই দম্পতির বড় ছেলে সুবেন চন্দ্র রায় পুলিশের এএসআই হিসাবে জয়পুরহাটে ও ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত।
মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির বাড়ির কাজের লোক দিপক রায় জানান, প্রতিদিনের মত আজ সকালে বাড়ির গেটের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন তিনি। তবে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে গ্রামের কয়েকজনসহ মই দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে তাদের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফাইয়ুম তালুকদার বলেন, 'ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।'

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে