
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জালগাঁও গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী জয়নাল ও তার ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন।
আজ শুক্রবার সকালে আব্দুস সাত্তার ওই জমিতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষ জয়নাল, খোরশেদ, মোর্শেদ ও জহির বাধা দেন। এ সময় আব্দুস সাত্তার সঙ্গে থাকা একটি ছুরি দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে চারজনই গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে খোরশেদ আলমের মৃত্যু হয়।
খোরশেদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে জয়নালের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় আব্দুস সাত্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে এ সংঘর্ষ হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জালগাঁও গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী জয়নাল ও তার ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন।
আজ শুক্রবার সকালে আব্দুস সাত্তার ওই জমিতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষ জয়নাল, খোরশেদ, মোর্শেদ ও জহির বাধা দেন। এ সময় আব্দুস সাত্তার সঙ্গে থাকা একটি ছুরি দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে চারজনই গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে খোরশেদ আলমের মৃত্যু হয়।
খোরশেদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে জয়নালের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় আব্দুস সাত্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে এ সংঘর্ষ হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের ভেতর থেকে হঠাৎ করে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
১৫ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্র জানায়, সফরকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জনসভা সফল করতে কাজ করছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজার স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন হয়। এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধে ছুরিকাঘাত করলে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
১৭ ঘণ্টা আগে