
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলা শহরের কাটলী উত্তর পাড়া এলাকায় মনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে গলাকেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে এক দুর্বৃত্ত। এ সময় স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন স্বামী আবু চান ও তাদের ছেলে আবির হাসান মুন্না।
সোমবার (১ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ঘাতক প্রতিবেশী আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে।
অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ প্রতিবেশী আরশাদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে ভিকটিমের মেয়ে লিজা মণি ওরফে এষা বাইরে প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফিরে দরজা খোলাই দেখতে পায়। ভেতরে ঢুকে সে তার বাবা ও ভাইকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে গুরুতর আহত বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত মনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে বা কী উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে মডেল থানা পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নেত্রকোনা জেলা শহরের কাটলী উত্তর পাড়া এলাকায় মনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে গলাকেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে এক দুর্বৃত্ত। এ সময় স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন স্বামী আবু চান ও তাদের ছেলে আবির হাসান মুন্না।
সোমবার (১ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ঘাতক প্রতিবেশী আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে।
অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ প্রতিবেশী আরশাদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে ভিকটিমের মেয়ে লিজা মণি ওরফে এষা বাইরে প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফিরে দরজা খোলাই দেখতে পায়। ভেতরে ঢুকে সে তার বাবা ও ভাইকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে গুরুতর আহত বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত মনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে বা কী উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে মডেল থানা পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে