
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ময়মনসিংহে জেলা সার্কিট হাউজে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান তিনি। দুপুর ২টায় এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তারেক রহমানের ময়মনসিংহে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এখনও সমাবেশ শুরু হয়নি।
এদিকে শহর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশ মাঠে আসতে শুরু করেছে। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ময়মনসিংহ শহরে বিভিন্ন মোড়ে শোভা পাচ্ছে তার ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বড় বড় ছবি। জনসভাস্থলে তারেক রহমানের জন্য অপেক্ষা করছেন নেতাকর্মীরা।
ময়মনসিংহের এই জনসভা শেষে তারেক রহমান গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠ এবং উত্তরার আজমপুর ঈদগাঁও মাঠে পৃথক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। এসব কর্মসূচি শেষে তিনি ঢাকার গুলশানে তার বাসভবনে ফিরে যাবেন।
এদিকে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৮টিতেই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় স্থানীয় নির্বাচনি রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, এসব বিদ্রোহী আসনের অন্তত পাঁচটিতে তাদের জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের সমর্থকদের একটি বড় অংশ এই জনসভায় অংশ নেননি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ময়মনসিংহ জেলার সংসদীয় আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে এসব ভোট যেসব প্রার্থীর দিকে যাবে তাদেরই জয়লাভের সম্ভাবনা বেশি। তবে বিএনপির সমর্থকদের দাবি, এখানে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া আসন ছাড়া অন্যগুলোতে তেমন প্রভাব নেই।
বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ সফর শেষে তারেক রহমান রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া এবং বরিশাল বিভাগে পর্যায়ক্রমে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনি সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই সফরে তিনি মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নরসিংদী ও রূপগঞ্জসহ সাতটি পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগে নির্বাচনি সফরে ফেনী, কুমিল্লা ও দাউদকান্দিসহ ছয়টি পথসভায় অংশ নেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ময়মনসিংহে জেলা সার্কিট হাউজে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান তিনি। দুপুর ২টায় এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তারেক রহমানের ময়মনসিংহে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এখনও সমাবেশ শুরু হয়নি।
এদিকে শহর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশ মাঠে আসতে শুরু করেছে। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ময়মনসিংহ শহরে বিভিন্ন মোড়ে শোভা পাচ্ছে তার ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বড় বড় ছবি। জনসভাস্থলে তারেক রহমানের জন্য অপেক্ষা করছেন নেতাকর্মীরা।
ময়মনসিংহের এই জনসভা শেষে তারেক রহমান গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠ এবং উত্তরার আজমপুর ঈদগাঁও মাঠে পৃথক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। এসব কর্মসূচি শেষে তিনি ঢাকার গুলশানে তার বাসভবনে ফিরে যাবেন।
এদিকে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৮টিতেই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় স্থানীয় নির্বাচনি রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, এসব বিদ্রোহী আসনের অন্তত পাঁচটিতে তাদের জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের সমর্থকদের একটি বড় অংশ এই জনসভায় অংশ নেননি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ময়মনসিংহ জেলার সংসদীয় আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে এসব ভোট যেসব প্রার্থীর দিকে যাবে তাদেরই জয়লাভের সম্ভাবনা বেশি। তবে বিএনপির সমর্থকদের দাবি, এখানে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া আসন ছাড়া অন্যগুলোতে তেমন প্রভাব নেই।
বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ সফর শেষে তারেক রহমান রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া এবং বরিশাল বিভাগে পর্যায়ক্রমে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনি সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই সফরে তিনি মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নরসিংদী ও রূপগঞ্জসহ সাতটি পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগে নির্বাচনি সফরে ফেনী, কুমিল্লা ও দাউদকান্দিসহ ছয়টি পথসভায় অংশ নেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রহমানের স্ত্রী ও তিন ছেলে দুবাইয়ে থাকেন। স্ত্রী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন ধরে বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ছেলেরা সোমবার খোঁজ নিতে বলেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
২ দিন আগে