
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মানিকগঞ্জে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে তার অনুসারী ও ‘তৌহিদী জনতার’ পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গত ৪ নভেম্বর ঘিওরে এক গানের আসরে বাউল শিল্পী আবুল সরকার ‘ধর্মীয় কটূক্তিমূলক’ বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ ওঠে। গত বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর প্রতিবাদে বাউল আবুল সরকারের ভক্তরা সকালে মানববন্ধনের আয়োজন করে। একই সময়ে ‘তৌহিদী জনতা’ ও আলেম-ওলামারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
দুই পক্ষের কর্মসূচির জন্য আলাদা সময় নির্ধারিত হলেও পরস্পর বিরোধী বক্তব্যের জেরে এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাউল ভক্তদের ওপর তৌহিদী জনতার একটি অংশ হামলা চালায়। এতে আবুল সরকারের তিন সমর্থক আহত হন। তারা হলেন-শিবালয়ের সাঁকরাইল গ্রামের আব্দুল আলিম, হরিরামপুরের ঝিটকার জহুরুল, এবং সিংগাইরের তালেবপুরের আরিফুল ইসলাম।
বাউল ভক্তদের পাল্টা হামলায় ‘তৌহিদী জনতার’ পক্ষের মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আলীমও আহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় আগেই আলাদা সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবুও বিক্ষোভ চলাকালে বিচ্ছিন্নভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে তৌহিদী জনতা ও আলেম ওলামারা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা ডাকঘরের সামনে সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে তাদের একাংশ ছত্রভঙ্গ হয়ে বাউলভক্তদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলের পাশেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’

মানিকগঞ্জে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে তার অনুসারী ও ‘তৌহিদী জনতার’ পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গত ৪ নভেম্বর ঘিওরে এক গানের আসরে বাউল শিল্পী আবুল সরকার ‘ধর্মীয় কটূক্তিমূলক’ বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ ওঠে। গত বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর প্রতিবাদে বাউল আবুল সরকারের ভক্তরা সকালে মানববন্ধনের আয়োজন করে। একই সময়ে ‘তৌহিদী জনতা’ ও আলেম-ওলামারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
দুই পক্ষের কর্মসূচির জন্য আলাদা সময় নির্ধারিত হলেও পরস্পর বিরোধী বক্তব্যের জেরে এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাউল ভক্তদের ওপর তৌহিদী জনতার একটি অংশ হামলা চালায়। এতে আবুল সরকারের তিন সমর্থক আহত হন। তারা হলেন-শিবালয়ের সাঁকরাইল গ্রামের আব্দুল আলিম, হরিরামপুরের ঝিটকার জহুরুল, এবং সিংগাইরের তালেবপুরের আরিফুল ইসলাম।
বাউল ভক্তদের পাল্টা হামলায় ‘তৌহিদী জনতার’ পক্ষের মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আলীমও আহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় আগেই আলাদা সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবুও বিক্ষোভ চলাকালে বিচ্ছিন্নভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে তৌহিদী জনতা ও আলেম ওলামারা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা ডাকঘরের সামনে সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে তাদের একাংশ ছত্রভঙ্গ হয়ে বাউলভক্তদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলের পাশেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে