
রাজশাহী ব্যুরো

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হিলটন প্রামাণিকের গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বানকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে তার এমন মন্তব্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন ঘোষণা’ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে হিলটন প্রামাণিক বক্তব্য দেওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, উল্লাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা সুমি হ্যান্ড মাইকে বারবার ঘোষণা দিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। পরে পুলিশ ও অন্যান্য প্রার্থীদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে হিলটন প্রামাণিক বলেন, ‘প্রশাসন ও প্রার্থীদের উপস্থিতিতে আমার বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চের একপাশে বসে থাকা কিছু লোকজন উত্তেজিত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশে কোনো ভোট হবে না।’
এ ছাড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমাদের দলের চেয়ারম্যান ‘না’ ভোটের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে আমি তো অন্য কিছু বলতে পারি না। এছাড়া একজন নাগরিক হিসেবে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দুইটি বিষয়েই ভোট চাইতে পারি, এতে অসুবিধা কীসের আমি বুঝতে পারছি না।”
এ বিষয়ে জানতে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এ টি এম আরিফের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা সুমির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হিলটন প্রামাণিকের গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বানকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে তার এমন মন্তব্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন ঘোষণা’ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে হিলটন প্রামাণিক বক্তব্য দেওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, উল্লাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা সুমি হ্যান্ড মাইকে বারবার ঘোষণা দিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। পরে পুলিশ ও অন্যান্য প্রার্থীদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে হিলটন প্রামাণিক বলেন, ‘প্রশাসন ও প্রার্থীদের উপস্থিতিতে আমার বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চের একপাশে বসে থাকা কিছু লোকজন উত্তেজিত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশে কোনো ভোট হবে না।’
এ ছাড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমাদের দলের চেয়ারম্যান ‘না’ ভোটের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে আমি তো অন্য কিছু বলতে পারি না। এছাড়া একজন নাগরিক হিসেবে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দুইটি বিষয়েই ভোট চাইতে পারি, এতে অসুবিধা কীসের আমি বুঝতে পারছি না।”
এ বিষয়ে জানতে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এ টি এম আরিফের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা সুমির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

নেত্রকোনা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় শহীদ তিতাস সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তবে এটি টাঙানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
২০ ঘণ্টা আগে
দগ্ধরা হলেন— রুবেল (৩০), তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯) ও আবুল কালাম রুবেল (৩৫)।
১ দিন আগে
গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
২ দিন আগে
ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস বলেন, এ ব্যাংকে আমার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলংকার জমা রাখি। বুধবার বাড়িতে একটি একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজ কারণে ব্যাংকে এসেছিলাম। কিন্তু লকার খুলে দেখি সেখানে কোনো অলংকার নেই। লকার খালি। বি
২ দিন আগে