
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ সদরে একটি ভুট্টাখেত থেকে আট বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ওই শিশুকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে দুই ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে মানিকগঞ্জ উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। এলাকায় মাইকিং করে ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রাতে আতিকার পরিবার খবর পায়, বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক শিমুর মরদেহ পড়ে রয়েছে। দ্রুত তারা সেখানে গিয়ে শিশুটিকে আতিকা হিসেবে শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির কানে থাকা সোনার দুল ও গলায় সোনায় চেন লুট করতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শিশুটির মরদেহ উদ্ধার হলে স্থানীয়রা একই এলাকার দুই ভাই ও তাদের একজনের ছেলেকে এ ঘটনায় জড়িত বলে সন্দেহ করেন। তারা তাদের তিনজনকে আটকে রেখে মারধর করেন। এতে পান্নু মিয়া (৩৮) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০) গুরুতর আহত হন।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ড ও গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

মানিকগঞ্জ সদরে একটি ভুট্টাখেত থেকে আট বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ওই শিশুকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে দুই ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে মানিকগঞ্জ উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। এলাকায় মাইকিং করে ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রাতে আতিকার পরিবার খবর পায়, বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক শিমুর মরদেহ পড়ে রয়েছে। দ্রুত তারা সেখানে গিয়ে শিশুটিকে আতিকা হিসেবে শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির কানে থাকা সোনার দুল ও গলায় সোনায় চেন লুট করতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শিশুটির মরদেহ উদ্ধার হলে স্থানীয়রা একই এলাকার দুই ভাই ও তাদের একজনের ছেলেকে এ ঘটনায় জড়িত বলে সন্দেহ করেন। তারা তাদের তিনজনকে আটকে রেখে মারধর করেন। এতে পান্নু মিয়া (৩৮) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০) গুরুতর আহত হন।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ড ও গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে