
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ ও আমজনতার দল— চার চারটি রাজনৈতিক দল পালটে শেষ পর্যন্ত বিএনপিতে যোগ দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রবেশের সুযোগ পেলেন সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে হবিগঞ্জ-১ আসনের ১৭৮টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফল পাওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৭ ভোট।
ফলাফলের হিসাব বলছে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোট বেশি পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন রেজা কিবরিয়া।
বাবা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও রেজা কিবরিয়া একাডেমিক হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। বাবা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হলেও দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেননি তিনি।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হলে ওই সময় গণফোরামে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে রেজা কিবরিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়।
সেবার ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন রেজা কিবরিয়া। ওই সময় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
পরে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে গঠিত গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন তিনি। ওই দলে আহ্বায়কও ছিলেন। নেতৃত্বের সংকটে দলটি বিভক্ত হয়ে পড়লে আমজনতার দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হন। একপর্যায়ে রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়ান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১ ডিসেম্বর বিএনপিতে যোগ দেন রেজা কিবরিয়া। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন তিনি। পরে হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেয়।

গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ ও আমজনতার দল— চার চারটি রাজনৈতিক দল পালটে শেষ পর্যন্ত বিএনপিতে যোগ দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রবেশের সুযোগ পেলেন সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে হবিগঞ্জ-১ আসনের ১৭৮টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফল পাওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৭ ভোট।
ফলাফলের হিসাব বলছে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোট বেশি পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন রেজা কিবরিয়া।
বাবা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও রেজা কিবরিয়া একাডেমিক হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। বাবা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হলেও দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেননি তিনি।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হলে ওই সময় গণফোরামে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে রেজা কিবরিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়।
সেবার ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন রেজা কিবরিয়া। ওই সময় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
পরে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে গঠিত গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন তিনি। ওই দলে আহ্বায়কও ছিলেন। নেতৃত্বের সংকটে দলটি বিভক্ত হয়ে পড়লে আমজনতার দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হন। একপর্যায়ে রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়ান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১ ডিসেম্বর বিএনপিতে যোগ দেন রেজা কিবরিয়া। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন তিনি। পরে হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে