
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাসিনা খান চৌধুরী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দেয়।
এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় সমর্থক-ভোটার সংক্রান্ত জটিলতায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসিনা খান চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেলেন।
হাসিনা খান চৌধুরীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে নান্দাইলের বিভিন্ন স্থানে তার সমর্থক ও অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনি মাঠে তিনি একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তার কয়েকজন অনুসারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগ চালানোর সকল প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের। কিন্তু মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে তাদের প্রস্তুতিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার এখন তা কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।
হাসিনা খান চৌধুরী নান্দাইল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও এই আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে জড়িত থাকায় খুররম খান চৌধুরীর নিজস্ব একটি ভোটব্যাংক ও অসংখ্য অনুসারী রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরীকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন মোট ১০ জন। তারা হলেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধূরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শামসুল ইসলাম, বাংলাদেশে ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামীম, জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ; স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে— মামুন বিন আবদুল মান্নান, হাসিনা খান চৌধুরী, এ আর খান এবং পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মা।
এ ছাড়া যাচাই-বাছাইয়ে এই আসনের চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে— মামুন বিন আবদুল মান্নান, হাসিনা খান চৌধুরী, এ আর খান ও পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাসিনা খান চৌধুরী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দেয়।
এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় সমর্থক-ভোটার সংক্রান্ত জটিলতায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসিনা খান চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেলেন।
হাসিনা খান চৌধুরীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে নান্দাইলের বিভিন্ন স্থানে তার সমর্থক ও অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনি মাঠে তিনি একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তার কয়েকজন অনুসারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগ চালানোর সকল প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের। কিন্তু মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে তাদের প্রস্তুতিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার এখন তা কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।
হাসিনা খান চৌধুরী নান্দাইল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও এই আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে জড়িত থাকায় খুররম খান চৌধুরীর নিজস্ব একটি ভোটব্যাংক ও অসংখ্য অনুসারী রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরীকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন মোট ১০ জন। তারা হলেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধূরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শামসুল ইসলাম, বাংলাদেশে ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামীম, জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ; স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে— মামুন বিন আবদুল মান্নান, হাসিনা খান চৌধুরী, এ আর খান এবং পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মা।
এ ছাড়া যাচাই-বাছাইয়ে এই আসনের চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে— মামুন বিন আবদুল মান্নান, হাসিনা খান চৌধুরী, এ আর খান ও পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মা।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৭ ভোট।
৯ ঘণ্টা আগে
জামালপুরের পাঁচটি আসনেই দাপুটে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে তিনি ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন জয় পেয়েছেন। বেসরকারি ফল অনুযায়ী, তিনি ৮১ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাবুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট।
১১ ঘণ্টা আগে