
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পেলাগাজি দিঘী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হল, যোগেজ উড়াংয়ের ছেলে উত্তম উড়াং (১৭), রাম উড়াংয়ের ছেলে নয়ন উড়াং (১৭) এবং তপন উড়াংয়ের ছেলে তপু উড়াং (১৭)।
তারা সকলে উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজারীখিল গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত উত্তম উড়াংয়ের বাবা যোগেজ উড়াং বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কুল–কলেজ বন্ধ থাকায় তারা রাজমিস্ত্রির যোগালি হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আজ তারা লাশ হয়ে ফিরল।
প্রত্যক্ষদর্শী রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি মানিকছড়ি থেকে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর উদ্দেশ্যে ফিরছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মেহেদী জানান, এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত ১৭ জনের মধ্যে ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পেলাগাজি দিঘী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হল, যোগেজ উড়াংয়ের ছেলে উত্তম উড়াং (১৭), রাম উড়াংয়ের ছেলে নয়ন উড়াং (১৭) এবং তপন উড়াংয়ের ছেলে তপু উড়াং (১৭)।
তারা সকলে উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজারীখিল গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত উত্তম উড়াংয়ের বাবা যোগেজ উড়াং বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কুল–কলেজ বন্ধ থাকায় তারা রাজমিস্ত্রির যোগালি হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আজ তারা লাশ হয়ে ফিরল।
প্রত্যক্ষদর্শী রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি মানিকছড়ি থেকে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর উদ্দেশ্যে ফিরছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মেহেদী জানান, এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত ১৭ জনের মধ্যে ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে