
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আশিকিন আলম রাজন।
প্রসঙ্গত, বিডিপি আগে থেকেই জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল হিসেবে যুক্ত রয়েছে। ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিডিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান। প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
অন্যদিকে এনসিপি থেকে এ আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন দলটির ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম রাজন। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি নান্দাইল উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন এবং জমা দেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। তবে জামায়াতের সাথে এনসিপির জোটগত সমঝোতায় শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে আশিকিন আলম রাজন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত গ্রামে তার পোস্টার ও ব্যানারে সাঁটানো হয়েছিল। নতুন রাজনৈতিক দলের একজন নবাগত প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় ছিলেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আশিকিন আলম রাজন নান্দাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিডিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চানকে শুভকামনা জানান। তিনি লেখেন, রাজনীতিতে এসেছেন জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য। জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে এবার তার মনোনয়ন হয়নি।
তিনি আরও লেখেন, ‘জন্মস্থান থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছে ছিল আমার। এই মাটির মানুষদের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এ আসনে যিনি নির্বাচিত হোন না কেন, এনসিপি তাকে সহায়তা করবে। জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে যৌক্তিক ও গঠকমূলক বিরোধিতাও করবে।’
এনসিপির পক্ষ থেকে জনগণের কাছে তার দেওয়া ৩০টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন এবং ভবিষ্যতেও নান্দাইলের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া তিনি জানান, নান্দাইল ছাড়াও অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করার সুযোগ ছিল তার। কিন্তু নান্দাইলের মানুষের কথা ভেবে শেষ মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আশিকিন আলম রাজন।
প্রসঙ্গত, বিডিপি আগে থেকেই জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল হিসেবে যুক্ত রয়েছে। ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিডিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান। প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
অন্যদিকে এনসিপি থেকে এ আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন দলটির ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম রাজন। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি নান্দাইল উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন এবং জমা দেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। তবে জামায়াতের সাথে এনসিপির জোটগত সমঝোতায় শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে আশিকিন আলম রাজন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত গ্রামে তার পোস্টার ও ব্যানারে সাঁটানো হয়েছিল। নতুন রাজনৈতিক দলের একজন নবাগত প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় ছিলেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আশিকিন আলম রাজন নান্দাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিডিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চানকে শুভকামনা জানান। তিনি লেখেন, রাজনীতিতে এসেছেন জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য। জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে এবার তার মনোনয়ন হয়নি।
তিনি আরও লেখেন, ‘জন্মস্থান থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছে ছিল আমার। এই মাটির মানুষদের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এ আসনে যিনি নির্বাচিত হোন না কেন, এনসিপি তাকে সহায়তা করবে। জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে যৌক্তিক ও গঠকমূলক বিরোধিতাও করবে।’
এনসিপির পক্ষ থেকে জনগণের কাছে তার দেওয়া ৩০টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন এবং ভবিষ্যতেও নান্দাইলের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া তিনি জানান, নান্দাইল ছাড়াও অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করার সুযোগ ছিল তার। কিন্তু নান্দাইলের মানুষের কথা ভেবে শেষ মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।

দেওয়ান শামসুল আবেদীন ছিলেন মরমী কবি দেওয়ান হাসন রাজার নাতির ছেলে। তিনি ১৯৭৯ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সোনালি ধানের সমারোহে চোখ জুড়ালেও কৃষকদের মনে লোকসানের শঙ্কা। বাম্পার ফলনে চারদিকে উৎসবের আমেজ থাকলেও তাদের মুখে নেই স্বস্তির হাসি। উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু বাজারে ধানের দাম কমে যাওয়ায় এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
১ দিন আগে
রাতে মা খুকি বেগম দুই মেয়েকে নিয়ে একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরের দিকে কাল বৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় বসত ঘরে পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ ঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা মা ও দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাতে তাদের মৃত্যু হলেও সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার ক
১ দিন আগে
বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
১ দিন আগে