
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর যৌন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) সামনে ‘নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জনপ্রিয় ও মানবিক চিকিৎসক কাজেম আলী হত্যার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমরা এর আগেও প্রতিবাদ জানিয়েছি কিন্তু কোনো এক অশুভ শক্তি আমাদের মুখ চেপে ধরেছিল। আমরা মনে করি এখন সময় এসেছে ন্যায়বিচার পাওয়ার যে কারণে আবারও রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছি।
তারা আরও বলেন, ‘ডা. কাজেম আলীর মৃত্যুর পরে আস্তে আস্তে আমাদের কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়েছে। নির্বাচনে যেন বিএনপি-জামায়াত কোনক্রমে অংশ নিতে না পারে সে জন্য রাজশাহী সিটির তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের অনুমোদনক্রমে পুলিশ কমিশনারের পরিকল্পনায় এ হত্যা বাস্তবায়িত হয়। এতে গোয়েন্দা সংস্থাও জড়িত।'
বক্তারা অতিদ্রুত আসামিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। যাতে আগামীতে এমন জঘন্য অপরাধ ঘটানোর দুঃসাহস কেউ না দেখায়। দাবি আদায় না হলে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রাজশাহীর নেতা ডা. ওয়াসিম হোসেন, ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) রাজশাহীর সভাপতি অধ্যাপক ডা. কাজী মহিউদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. মুর্শেদ জামান মিঞা, এনডিএফের নেতা ডা. হাসানুজ্জমান হাসু, ডা. ফজলুর রহমান ভুঁইয়া পাভেল, ডা. শাহানা পারভীন রিতু, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি ডা. আপেল মাহমুদ, নিহত চিকিৎসক কাজেম আলীর ছেলে আবরার ফারহান আহম্মেদ সাদ, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, নিহত চিকিৎসক গোলাম কাজেম আলী আহমদ (৪২) চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখতেন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৪২তম এমবিবিএস ব্যাচের ছাত্র ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর রাতে রোগী দেখে বাসায় ফেরার পথে নগরের বর্ণালী মোড়ে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। একটি মাইক্রোবাসে এসে খুনিরা তাকে খুন করে চলে যায়। একই রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এরশাদ আলী দুলাল (৪৫) নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক। তিনি হোমিও চিকিৎসাওসেবা দিতেন। তার বাড়ি রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ কচুয়াতৈল এলাকায়। নগরীর কৃষ্টগঞ্জ বাজারে নিজের দোকান থেকে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুটা দূরে সিটিহাট এলাকায় তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এ দুই খুনের ঘটনায় মামলা হলেও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। হত্যার কারণও উদঘাটন হয়নি।

রাজশাহীর যৌন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) সামনে ‘নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জনপ্রিয় ও মানবিক চিকিৎসক কাজেম আলী হত্যার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমরা এর আগেও প্রতিবাদ জানিয়েছি কিন্তু কোনো এক অশুভ শক্তি আমাদের মুখ চেপে ধরেছিল। আমরা মনে করি এখন সময় এসেছে ন্যায়বিচার পাওয়ার যে কারণে আবারও রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছি।
তারা আরও বলেন, ‘ডা. কাজেম আলীর মৃত্যুর পরে আস্তে আস্তে আমাদের কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়েছে। নির্বাচনে যেন বিএনপি-জামায়াত কোনক্রমে অংশ নিতে না পারে সে জন্য রাজশাহী সিটির তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের অনুমোদনক্রমে পুলিশ কমিশনারের পরিকল্পনায় এ হত্যা বাস্তবায়িত হয়। এতে গোয়েন্দা সংস্থাও জড়িত।'
বক্তারা অতিদ্রুত আসামিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। যাতে আগামীতে এমন জঘন্য অপরাধ ঘটানোর দুঃসাহস কেউ না দেখায়। দাবি আদায় না হলে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রাজশাহীর নেতা ডা. ওয়াসিম হোসেন, ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) রাজশাহীর সভাপতি অধ্যাপক ডা. কাজী মহিউদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. মুর্শেদ জামান মিঞা, এনডিএফের নেতা ডা. হাসানুজ্জমান হাসু, ডা. ফজলুর রহমান ভুঁইয়া পাভেল, ডা. শাহানা পারভীন রিতু, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি ডা. আপেল মাহমুদ, নিহত চিকিৎসক কাজেম আলীর ছেলে আবরার ফারহান আহম্মেদ সাদ, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, নিহত চিকিৎসক গোলাম কাজেম আলী আহমদ (৪২) চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখতেন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৪২তম এমবিবিএস ব্যাচের ছাত্র ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর রাতে রোগী দেখে বাসায় ফেরার পথে নগরের বর্ণালী মোড়ে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। একটি মাইক্রোবাসে এসে খুনিরা তাকে খুন করে চলে যায়। একই রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এরশাদ আলী দুলাল (৪৫) নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক। তিনি হোমিও চিকিৎসাওসেবা দিতেন। তার বাড়ি রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ কচুয়াতৈল এলাকায়। নগরীর কৃষ্টগঞ্জ বাজারে নিজের দোকান থেকে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুটা দূরে সিটিহাট এলাকায় তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এ দুই খুনের ঘটনায় মামলা হলেও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। হত্যার কারণও উদঘাটন হয়নি।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
২ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে
মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২ দিন আগে