
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোলের ডুবপাড়া গ্রামে ঈদের নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এর জেরে বোমা হামলার ঘটনায় আব্দুল হাই (৫০) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। মো. জিয়া (৩২) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শনিবার (৭ জুন) ঈদের দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেনাপোল বন্দর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া জামতলার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল হাই (৫০) ওই গ্রামের হারান হরকরার ছেলে। আহত জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, ডুপপাড়া ঈদগাহ ময়দানে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই সমর্থক আবু সাইদ ও আব্দুল হাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে রাতে আব্দুল হাই ডুবপাড়া জামতলার মোড় অবস্থান করছিলেন। এ সময় চার-পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলে করে সেখানে হাজির হয়ে আব্দুল হাইয়ের ওপর বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়।
এ সময় আব্দুল হাই ও মো. জিয়া বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল হাইকে মৃত ঘোষণা করেন। জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দিতে বলেন।
বেনাপোল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মো. রাসেল মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তেরর জন্য রোববার যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আটকের জন্য অভিযান চলছে।

যশোরের বেনাপোলের ডুবপাড়া গ্রামে ঈদের নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এর জেরে বোমা হামলার ঘটনায় আব্দুল হাই (৫০) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। মো. জিয়া (৩২) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শনিবার (৭ জুন) ঈদের দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেনাপোল বন্দর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া জামতলার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল হাই (৫০) ওই গ্রামের হারান হরকরার ছেলে। আহত জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, ডুপপাড়া ঈদগাহ ময়দানে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই সমর্থক আবু সাইদ ও আব্দুল হাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে রাতে আব্দুল হাই ডুবপাড়া জামতলার মোড় অবস্থান করছিলেন। এ সময় চার-পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলে করে সেখানে হাজির হয়ে আব্দুল হাইয়ের ওপর বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়।
এ সময় আব্দুল হাই ও মো. জিয়া বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল হাইকে মৃত ঘোষণা করেন। জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দিতে বলেন।
বেনাপোল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মো. রাসেল মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তেরর জন্য রোববার যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আটকের জন্য অভিযান চলছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে