
অলীপ ঘটক, বাগেরহাট

মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পূর্ব সুন্দরবনে আবারও দেখা মিলেছে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। এবার বাঘটিকে দেখা গেছে নদী সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করতে। বন বিভাগের টহল বোটের সামনেই ঘটে যাওয়া এই বিরল দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছে, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়ে বাঘটি।
বন বিভাগের নিয়মিত টহলের সময় বন থেকে বেরিয়ে নদীতে নামে বাঘটি। মাঝনদীতে পৌঁছানোর পর টহল বোটের ইঞ্জিনের শব্দে দিক পরিবর্তন করে আবার বনের ভেতরে ফিরে যায়।
ভিডিওটি ধারণ করেন বন বিভাগের টহল বোটচালক সাইফুর রহমান (বিএম)। তিনি জানান, টহলের সময় হঠাৎ করেই বাঘটিকে নদীতে নামতে দেখা যায়। বিরল এ দৃশ্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এবং পরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগেও গত শুক্রবার পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক পর্যটন কেন্দ্র ও বন বিভাগের টহল ফাঁড়ির আশপাশে একটি বাঘিনীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছিলেন বনরক্ষীরা। সেই ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। টানা তিন দিনের মধ্যে বাঘের এমন দুটি উপস্থিতি সুন্দরবন ঘিরে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, নদী বা খাল সাঁতরে চলাচল করা বাঘের স্বাভাবিক আচরণের অংশ। খাবারের সন্ধান, এলাকা পরিবর্তন কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে তারা নিয়মিতই জলপথ অতিক্রম করে। তবে টহলের সময় এত কাছ থেকে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না।
তিনি আরও জানান, গত ১ জুন থেকে সুন্দরবনে তিন মাসের জন্য সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। পর্যটক ও বনজীবীদের অনুপস্থিতিতে বন এখন অনেকটাই কোলাহলমুক্ত। ফলে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী নির্ভয়ে বিচরণ করছে এবং আগের তুলনায় তাদের দেখা মিলছে বেশি।

মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পূর্ব সুন্দরবনে আবারও দেখা মিলেছে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। এবার বাঘটিকে দেখা গেছে নদী সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করতে। বন বিভাগের টহল বোটের সামনেই ঘটে যাওয়া এই বিরল দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছে, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়ে বাঘটি।
বন বিভাগের নিয়মিত টহলের সময় বন থেকে বেরিয়ে নদীতে নামে বাঘটি। মাঝনদীতে পৌঁছানোর পর টহল বোটের ইঞ্জিনের শব্দে দিক পরিবর্তন করে আবার বনের ভেতরে ফিরে যায়।
ভিডিওটি ধারণ করেন বন বিভাগের টহল বোটচালক সাইফুর রহমান (বিএম)। তিনি জানান, টহলের সময় হঠাৎ করেই বাঘটিকে নদীতে নামতে দেখা যায়। বিরল এ দৃশ্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এবং পরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগেও গত শুক্রবার পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক পর্যটন কেন্দ্র ও বন বিভাগের টহল ফাঁড়ির আশপাশে একটি বাঘিনীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছিলেন বনরক্ষীরা। সেই ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। টানা তিন দিনের মধ্যে বাঘের এমন দুটি উপস্থিতি সুন্দরবন ঘিরে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, নদী বা খাল সাঁতরে চলাচল করা বাঘের স্বাভাবিক আচরণের অংশ। খাবারের সন্ধান, এলাকা পরিবর্তন কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে তারা নিয়মিতই জলপথ অতিক্রম করে। তবে টহলের সময় এত কাছ থেকে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না।
তিনি আরও জানান, গত ১ জুন থেকে সুন্দরবনে তিন মাসের জন্য সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। পর্যটক ও বনজীবীদের অনুপস্থিতিতে বন এখন অনেকটাই কোলাহলমুক্ত। ফলে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী নির্ভয়ে বিচরণ করছে এবং আগের তুলনায় তাদের দেখা মিলছে বেশি।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে