
নড়াইল প্রতিনিধি

নিত্যদিনের তুলনায় ঈদের দিনে তাদের জন্য খাবার ছিল একেবারেই ভিন্ন ধরনের। গরু ও খাসির মাংসের পাশাপাশি মুরগীর রোস্টের সঙ্গে ছিল পোলাও। ছিল নানা ধরনের মিষ্টির সমাহার, পান-সুপারি।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে এমন খাবারের আয়োজন ছিল নড়াইল জেলা কারাগারের কারাবন্দিদের জন্য। স্বজনদের থেকে অনেক দূরে কথা ভেবে অনেকের মন ভারাক্রান্ত থাকলেও কবজি ডুবিয়ে মজা করে খেয়েছেন কারাগারের বন্দিরা।
কেবল খাবারই নয়, ঈদ উপলক্ষ্যে কারাবন্দিদের মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দিতে ছিল নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজনও। দৃশ্যপট দেখে বোঝার উপায় ছিল না কে কর্মকর্তা কে বা বন্দি। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে মেতে ছিলেন প্রতিটি মানুষ।
সরেজমিন দেখা গেছে, শুরুতেই ফাসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ বন্দি ও নারী বন্দিদের খাবার দেওয়া হয়। পরে সারিবদ্ধভাবে খাবার গ্রহণ করেন অন্য বন্দিরা। এর আগে সকালে গোসল সেরে ঈদের জামাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন তারাা। নামাজ সেরে কোলাকুলি করে পায়েসের সঙ্গে মুড়ি দিয়ে ছিল তাদের জন্য সকালের নাশতার আয়োজন।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেল সুপার কারাবন্দিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি বন্দিদের মধ্যে নানা ধরনের খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ করেন। দুপুর ১২টার দিকে জেলঘণ্টা বেজে ওঠে। মাইকে ঘোষণা করা হয়, দুপুরের খাবার বিতরণ করা হবে।
এমন আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে কথা হয় কয়েকজন বন্দির সঙ্গে। বেশ কয়েকজন বন্দিই কথা বলেন। পরিবার-পরিজনদের ছাড়া কারাবন্দি জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। জানান, কারা কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা ও সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়া হয় তাদের। কিন্তু এতে তাদের কষ্ট বরং আরও বাড়ে। বন্দিরা কেউ নিজেদের নাম প্রকাশে রাজি হননি।
কয়েকজন বন্দি কারাগারের বাইরে থাকা মানুষদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন কোনো ধরনের অপরাধারমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ান। তারা বলেন, জীবনটা অনেক সুন্দর। পরিবারের সঙ্গে জীবনকে উপভোগ করতে বলেন।
বন্দিরা আগের চেয়ে কারাগারের পরিবেশ এখন আরও সুন্দর হয়েছে বলেও জানান। বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকলে মনটাও ভালো হয়ে যায়। তারা এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারে মুগ্ধ।
জেল সুপার সঞ্জয় ঘোষ বলেন, বিশেষ দিনগুলোতে কারাবন্দিদের জন্য উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। বেশির ভাগ বন্দি সরকারের বিধিনিষেধ মেনে চলার চেষ্টা করছেন। আমরাও তাদের ভালো রাখার চেষ্টা করছি।
জেল সুপার বলেন, বন্দিরা যেন স্বজনদের কথা কিছু সময়ের জন্য হলেও ভুলে থাকতে পারেন, সে কারণে তাদের মানসিকভাবে চাঙা রাখতে নানা ধরনের খেলাধুলা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। কারাগারের পরিবেশ আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো। আমরা চাই, আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে বন্দিরা বাইরের জীবনের জন্য উপযোগী হয়ে উঠুক।

নিত্যদিনের তুলনায় ঈদের দিনে তাদের জন্য খাবার ছিল একেবারেই ভিন্ন ধরনের। গরু ও খাসির মাংসের পাশাপাশি মুরগীর রোস্টের সঙ্গে ছিল পোলাও। ছিল নানা ধরনের মিষ্টির সমাহার, পান-সুপারি।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে এমন খাবারের আয়োজন ছিল নড়াইল জেলা কারাগারের কারাবন্দিদের জন্য। স্বজনদের থেকে অনেক দূরে কথা ভেবে অনেকের মন ভারাক্রান্ত থাকলেও কবজি ডুবিয়ে মজা করে খেয়েছেন কারাগারের বন্দিরা।
কেবল খাবারই নয়, ঈদ উপলক্ষ্যে কারাবন্দিদের মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দিতে ছিল নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজনও। দৃশ্যপট দেখে বোঝার উপায় ছিল না কে কর্মকর্তা কে বা বন্দি। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে মেতে ছিলেন প্রতিটি মানুষ।
সরেজমিন দেখা গেছে, শুরুতেই ফাসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ বন্দি ও নারী বন্দিদের খাবার দেওয়া হয়। পরে সারিবদ্ধভাবে খাবার গ্রহণ করেন অন্য বন্দিরা। এর আগে সকালে গোসল সেরে ঈদের জামাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন তারাা। নামাজ সেরে কোলাকুলি করে পায়েসের সঙ্গে মুড়ি দিয়ে ছিল তাদের জন্য সকালের নাশতার আয়োজন।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেল সুপার কারাবন্দিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি বন্দিদের মধ্যে নানা ধরনের খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ করেন। দুপুর ১২টার দিকে জেলঘণ্টা বেজে ওঠে। মাইকে ঘোষণা করা হয়, দুপুরের খাবার বিতরণ করা হবে।
এমন আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে কথা হয় কয়েকজন বন্দির সঙ্গে। বেশ কয়েকজন বন্দিই কথা বলেন। পরিবার-পরিজনদের ছাড়া কারাবন্দি জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। জানান, কারা কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা ও সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়া হয় তাদের। কিন্তু এতে তাদের কষ্ট বরং আরও বাড়ে। বন্দিরা কেউ নিজেদের নাম প্রকাশে রাজি হননি।
কয়েকজন বন্দি কারাগারের বাইরে থাকা মানুষদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন কোনো ধরনের অপরাধারমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ান। তারা বলেন, জীবনটা অনেক সুন্দর। পরিবারের সঙ্গে জীবনকে উপভোগ করতে বলেন।
বন্দিরা আগের চেয়ে কারাগারের পরিবেশ এখন আরও সুন্দর হয়েছে বলেও জানান। বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকলে মনটাও ভালো হয়ে যায়। তারা এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারে মুগ্ধ।
জেল সুপার সঞ্জয় ঘোষ বলেন, বিশেষ দিনগুলোতে কারাবন্দিদের জন্য উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। বেশির ভাগ বন্দি সরকারের বিধিনিষেধ মেনে চলার চেষ্টা করছেন। আমরাও তাদের ভালো রাখার চেষ্টা করছি।
জেল সুপার বলেন, বন্দিরা যেন স্বজনদের কথা কিছু সময়ের জন্য হলেও ভুলে থাকতে পারেন, সে কারণে তাদের মানসিকভাবে চাঙা রাখতে নানা ধরনের খেলাধুলা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। কারাগারের পরিবেশ আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো। আমরা চাই, আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে বন্দিরা বাইরের জীবনের জন্য উপযোগী হয়ে উঠুক।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে