
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে যত্রতত্র গড়ে উঠছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন নেই। আবার অনুমোদন থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই চিকিৎসক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবিকা কিংবা মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা। চিকিৎসাসেবায় অবহেলা, অদক্ষ জনবল দিয়ে চিকিৎসা, রোগী ব্যবস্থাপনায় অনিয়মসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
নড়াইল সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ১১৮টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ৯০টি। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বাকি ২৮টির মধ্যে কিছু সিলগালা করা হয়েছে, আর কিছু প্রতিষ্ঠান নিজেরাই কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হয়। চলতি বছরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ১০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলা শহর পর্যন্ত ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর অধিকাংশেরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন নেই। অনুমোদন থাকলেও চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সেবিকার সংকট রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা। রোগীর চাহিদা অনুযায়ী পথ্যও দেওয়া হয় না। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানোর কয়েক দিনের মধ্যেই সেলাইয়ের স্থান দিয়ে রক্ত ও পুঁজ বের হওয়ার ঘটনাও ঘটে। চিকিৎসাসেবায় অবহেলা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে জেলার বেশিরভাগ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অভিযুক্ত।
এমনই এক ঘটনার শিকার হন কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা কামরুজ মোল্যার মেয়ে সোহানা বেগম (২০)। গত ৪ জুলাই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি জেলা শহরের মডার্ন সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি হন। সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। চার দিনের নবজাতককে নিয়ে নতুন জীবন শুরুর স্বপ্ন দেখলেও বাড়ি ফেরার চার দিনের মাথায় সেলাইয়ের স্থান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে তার প্রাণ রক্ষা করা গেলেও হারাতে হয়েছে মা হওয়ার সক্ষমতা।
সোহানার পরিবারের সদস্যদের দাবি, চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই এমন পরিণতি হয়েছে। এ ঘটনায় তারা জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ পাওয়ার পর গত ২৫ জুলাই জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে মডার্ন সার্জিক্যাল ক্লিনিকে অভিযান চালায়। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়।
তবে সোহানার ঘটনাই নড়াইলে একমাত্র নয়। জেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। কোথাও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারে অবহেলা, কোথাও অদক্ষ জনবল দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান, আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে অপারেশন থিয়েটারে রোগীর পাশে টিকটক ভিডিও ধারণ কিংবা চিকিৎসক-নার্স ছাড়াই রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
গত বছরের ২৮ আগস্ট লোহাগড়া উপজেলার প্রত্যাশা ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে রোগীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক নার্স। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ক্লিনিকটির অপারেশন থিয়েটার সিলগালা করে।
এদিকে চলতি বছরের ২৫ জুলাই কালিয়া উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুটি ক্লিনিককে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রোগী ভর্তি থাকা অবস্থায় কোনো চিকিৎসক বা নার্সের উপস্থিতি না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে কার্যক্রম পরিচালনা এবং অস্ত্রোপচারের সময় অ্যানেস্থেশিয়া প্রদানকারী চিকিৎসকের তথ্য সংরক্ষণ না করার অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।
এসব ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রশাসনের তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠান সিলগালার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম সাজ্জাদ রহমান বলেন, ‘ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমরা প্রতি মাসে সভা করে মালিকদের সচেতন করি। এরপরও কিছু প্রতিষ্ঠান অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। অনিয়মে থাকা ক্লিনিকগুলোকে আমরা নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখছি। যারা অনিয়মভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।’
তবে অভিযোগ উঠলেই স্বাস্থ্য বিভাগের তৎপরতা বাড়ে— এমন অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের দাবি, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবেই বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রশীদ বলেন, ‘গত এক বছরে আমরা ১০টি ক্লিনিক সিলগালা করেছি। তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্লিনিক তাদের কার্যক্রম সংশোধন করেছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ক্লিনিককে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, কোনো অব্যবস্থাপনা থাকা ক্লিনিক নড়াইলে চলতে দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। সব সময়ই অভিযান চলে। তবে যেসব বিষয়ে অভিযোগ ওঠে, সেগুলোর প্রতি সবার দৃষ্টি থাকে। এ কারণে বিষয়গুলো বেশি নজরে আসে।’
বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বলেন, ‘প্রতিটি ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারিত না হয় এবং মানসম্মত সেবা পায়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নড়াইলে যত্রতত্র গড়ে উঠছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন নেই। আবার অনুমোদন থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই চিকিৎসক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবিকা কিংবা মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা। চিকিৎসাসেবায় অবহেলা, অদক্ষ জনবল দিয়ে চিকিৎসা, রোগী ব্যবস্থাপনায় অনিয়মসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
নড়াইল সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ১১৮টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ৯০টি। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বাকি ২৮টির মধ্যে কিছু সিলগালা করা হয়েছে, আর কিছু প্রতিষ্ঠান নিজেরাই কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হয়। চলতি বছরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ১০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলা শহর পর্যন্ত ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর অধিকাংশেরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন নেই। অনুমোদন থাকলেও চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সেবিকার সংকট রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা। রোগীর চাহিদা অনুযায়ী পথ্যও দেওয়া হয় না। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানোর কয়েক দিনের মধ্যেই সেলাইয়ের স্থান দিয়ে রক্ত ও পুঁজ বের হওয়ার ঘটনাও ঘটে। চিকিৎসাসেবায় অবহেলা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে জেলার বেশিরভাগ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অভিযুক্ত।
এমনই এক ঘটনার শিকার হন কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা কামরুজ মোল্যার মেয়ে সোহানা বেগম (২০)। গত ৪ জুলাই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি জেলা শহরের মডার্ন সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি হন। সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। চার দিনের নবজাতককে নিয়ে নতুন জীবন শুরুর স্বপ্ন দেখলেও বাড়ি ফেরার চার দিনের মাথায় সেলাইয়ের স্থান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে তার প্রাণ রক্ষা করা গেলেও হারাতে হয়েছে মা হওয়ার সক্ষমতা।
সোহানার পরিবারের সদস্যদের দাবি, চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই এমন পরিণতি হয়েছে। এ ঘটনায় তারা জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ পাওয়ার পর গত ২৫ জুলাই জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে মডার্ন সার্জিক্যাল ক্লিনিকে অভিযান চালায়। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়।
তবে সোহানার ঘটনাই নড়াইলে একমাত্র নয়। জেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। কোথাও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারে অবহেলা, কোথাও অদক্ষ জনবল দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান, আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে অপারেশন থিয়েটারে রোগীর পাশে টিকটক ভিডিও ধারণ কিংবা চিকিৎসক-নার্স ছাড়াই রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
গত বছরের ২৮ আগস্ট লোহাগড়া উপজেলার প্রত্যাশা ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে রোগীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক নার্স। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ক্লিনিকটির অপারেশন থিয়েটার সিলগালা করে।
এদিকে চলতি বছরের ২৫ জুলাই কালিয়া উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুটি ক্লিনিককে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রোগী ভর্তি থাকা অবস্থায় কোনো চিকিৎসক বা নার্সের উপস্থিতি না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে কার্যক্রম পরিচালনা এবং অস্ত্রোপচারের সময় অ্যানেস্থেশিয়া প্রদানকারী চিকিৎসকের তথ্য সংরক্ষণ না করার অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।
এসব ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রশাসনের তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠান সিলগালার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম সাজ্জাদ রহমান বলেন, ‘ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমরা প্রতি মাসে সভা করে মালিকদের সচেতন করি। এরপরও কিছু প্রতিষ্ঠান অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। অনিয়মে থাকা ক্লিনিকগুলোকে আমরা নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখছি। যারা অনিয়মভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।’
তবে অভিযোগ উঠলেই স্বাস্থ্য বিভাগের তৎপরতা বাড়ে— এমন অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের দাবি, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবেই বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রশীদ বলেন, ‘গত এক বছরে আমরা ১০টি ক্লিনিক সিলগালা করেছি। তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্লিনিক তাদের কার্যক্রম সংশোধন করেছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ক্লিনিককে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, কোনো অব্যবস্থাপনা থাকা ক্লিনিক নড়াইলে চলতে দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। সব সময়ই অভিযান চলে। তবে যেসব বিষয়ে অভিযোগ ওঠে, সেগুলোর প্রতি সবার দৃষ্টি থাকে। এ কারণে বিষয়গুলো বেশি নজরে আসে।’
বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বলেন, ‘প্রতিটি ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারিত না হয় এবং মানসম্মত সেবা পায়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে