
নড়াইল প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নড়াইলের কালিয়া উপজেলা শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. এনামুল কবিরকে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। জালিয়াতির পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ার পর কালিয়া শাখার ব্যবস্থাপক শুভাশীষ মণ্ডল বাদী হয়ে কালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনামুল কবির চলতি বছরের ১০ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কালিয়া কৃষি ব্যাংক শাখায় সহকারী ব্যবস্থাপকের (চলতি দায়িত্ব) দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তার জিম্মায় নন-এমআইসিআর (Non-MICR) পে-অর্ডারসহ ব্যাংকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত নিরাপত্তা দস্তাবেজ (সিকিউরিটি ডকুমেন্ট) সংরক্ষিত ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ অফিস শুরুর বেশ আগে ব্যাংকে প্রবেশ করেন এনামুল কবির। এরপর তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে সুরক্ষিত ভল্ট বা আলমারি থেকে একটি নন-এমআইসিআর পে-অর্ডারের পাতা (নম্বর-০৭২৬৯৯৯) সরিয়ে ফেলেন। পরে ওই পে-অর্ডারটি শাখার বাইরে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চক্রটি পে-অর্ডারটিতে কৃষি ব্যাংকের ঢাকা শ্যামলী শাখার নাম, কর্মকর্তাদের ভুয়া স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি) সিকিউরিটি ডিপোজিট (নিরাপত্তা জামানত) হিসেবে জমা দেয়।
পরবর্তীতে ওই জাল পে-অর্ডারটি নগদায়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঢাকার স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে পাঠানো হলে কর্মকর্তাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে কালিয়া শাখায় চিঠি পাঠানো হলে জালিয়াতির পুরো ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, শুরুতে এনামুল কবির সম্পূর্ণ অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে অকাট্য তথ্যপ্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রদর্শনের পর তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি সুর বদলেছেন।
যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো. এনামুল কবির তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজটি আমার জিম্মায় ছিল ঠিকই, কিন্তু সেটি কোনোভাবে হারিয়ে গেছে। আমি নিজে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত নই।’
জানা গেছে, অভিযুক্ত এনামুল কবিরের স্থায়ী বাড়ি যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের বন্দবিলা গ্রামে। তবে চাকরি সূত্রে তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বুন্দশী গ্রামের মালোপাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ব্যাংক কর্মকর্তা এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এ ছাড়া এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলমান রয়েছে। দ্রুতই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নড়াইলের কালিয়া উপজেলা শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. এনামুল কবিরকে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। জালিয়াতির পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ার পর কালিয়া শাখার ব্যবস্থাপক শুভাশীষ মণ্ডল বাদী হয়ে কালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনামুল কবির চলতি বছরের ১০ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কালিয়া কৃষি ব্যাংক শাখায় সহকারী ব্যবস্থাপকের (চলতি দায়িত্ব) দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তার জিম্মায় নন-এমআইসিআর (Non-MICR) পে-অর্ডারসহ ব্যাংকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত নিরাপত্তা দস্তাবেজ (সিকিউরিটি ডকুমেন্ট) সংরক্ষিত ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ অফিস শুরুর বেশ আগে ব্যাংকে প্রবেশ করেন এনামুল কবির। এরপর তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে সুরক্ষিত ভল্ট বা আলমারি থেকে একটি নন-এমআইসিআর পে-অর্ডারের পাতা (নম্বর-০৭২৬৯৯৯) সরিয়ে ফেলেন। পরে ওই পে-অর্ডারটি শাখার বাইরে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চক্রটি পে-অর্ডারটিতে কৃষি ব্যাংকের ঢাকা শ্যামলী শাখার নাম, কর্মকর্তাদের ভুয়া স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি) সিকিউরিটি ডিপোজিট (নিরাপত্তা জামানত) হিসেবে জমা দেয়।
পরবর্তীতে ওই জাল পে-অর্ডারটি নগদায়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঢাকার স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে পাঠানো হলে কর্মকর্তাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে কালিয়া শাখায় চিঠি পাঠানো হলে জালিয়াতির পুরো ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, শুরুতে এনামুল কবির সম্পূর্ণ অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে অকাট্য তথ্যপ্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রদর্শনের পর তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি সুর বদলেছেন।
যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো. এনামুল কবির তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজটি আমার জিম্মায় ছিল ঠিকই, কিন্তু সেটি কোনোভাবে হারিয়ে গেছে। আমি নিজে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত নই।’
জানা গেছে, অভিযুক্ত এনামুল কবিরের স্থায়ী বাড়ি যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের বন্দবিলা গ্রামে। তবে চাকরি সূত্রে তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বুন্দশী গ্রামের মালোপাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ব্যাংক কর্মকর্তা এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এ ছাড়া এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলমান রয়েছে। দ্রুতই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে