
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যশোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার তার বাসা পরিদর্শনে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার রাতে যশোর শহরের খোলাডাঙ্গা কদমতলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাশেদ খান যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে প্রতিবেশী মনা, ইমন ও জুলি খাতুনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা ও কুড়াল নিয়ে তার বাড়ির পাশের দোকানের সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করেন।
রাশেদ খানের দাবি, গালিগালাজে প্রতিবাদ জানালে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে। পাশাপাশি তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ির প্রাচীর ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন ধারালো কুড়াল নিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
রাশেদ খানের ভাষ্য, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে নিয়মিত ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে যশোরে গিয়ে রাশেদ খানের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়কারীরা যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি প্রশাসনকে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোয় তার পরিবার সাহস ও সমর্থন পেয়েছে।
রাজনীতি/একে

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যশোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার তার বাসা পরিদর্শনে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার রাতে যশোর শহরের খোলাডাঙ্গা কদমতলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাশেদ খান যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে প্রতিবেশী মনা, ইমন ও জুলি খাতুনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা ও কুড়াল নিয়ে তার বাড়ির পাশের দোকানের সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করেন।
রাশেদ খানের দাবি, গালিগালাজে প্রতিবাদ জানালে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে। পাশাপাশি তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ির প্রাচীর ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন ধারালো কুড়াল নিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
রাশেদ খানের ভাষ্য, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে নিয়মিত ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে যশোরে গিয়ে রাশেদ খানের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়কারীরা যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি প্রশাসনকে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোয় তার পরিবার সাহস ও সমর্থন পেয়েছে।
রাজনীতি/একে

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে