
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কুষ্টিয়ায় সরকারি কলেজ মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে গিয়ে তুমুল হট্টগোলের মুখে পড়েন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ মুফতি আমির হামজা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ পরিদর্শনকালে তাকে অবরুদ্ধ করা হয়।
সংসদ সদস্য আমির হামজার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। পেজে অ্যাডমিনের দেওয়া পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মী।’
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারি কলেজ মাঠে আন্তঃবিভাগ মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন আমির হামজা। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী মঞ্চের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের জন্য মাঠে প্রবেশ করলে ওই শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়েও আমির হামজাকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন এবং তারা মাঠের মধ্যে বসে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে কলেজের অধ্যক্ষ আমির হামজাকে নিয়ে তার কার্যালয়ে চলে যান।
শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে গিয়েও একইভাবে স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। এ সময় এমপি আমির হামজা পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হকের মোবাইল নম্বরে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান তিনি। এ সময় তিনি আমির হামজাকে অধ্যক্ষের সঙ্গে আলাপ করতে দেখেন। তবে আমির হামজাকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন ওসি।
রাজনীতি/একে

কুষ্টিয়ায় সরকারি কলেজ মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে গিয়ে তুমুল হট্টগোলের মুখে পড়েন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ মুফতি আমির হামজা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ পরিদর্শনকালে তাকে অবরুদ্ধ করা হয়।
সংসদ সদস্য আমির হামজার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। পেজে অ্যাডমিনের দেওয়া পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মী।’
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারি কলেজ মাঠে আন্তঃবিভাগ মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন আমির হামজা। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী মঞ্চের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের জন্য মাঠে প্রবেশ করলে ওই শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়েও আমির হামজাকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন এবং তারা মাঠের মধ্যে বসে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে কলেজের অধ্যক্ষ আমির হামজাকে নিয়ে তার কার্যালয়ে চলে যান।
শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে গিয়েও একইভাবে স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। এ সময় এমপি আমির হামজা পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হকের মোবাইল নম্বরে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান তিনি। এ সময় তিনি আমির হামজাকে অধ্যক্ষের সঙ্গে আলাপ করতে দেখেন। তবে আমির হামজাকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন ওসি।
রাজনীতি/একে

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে