
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় মোছা. সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।
উপজেলার ৪ নম্বর চণ্ডীপাশা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোক্তা মো. শরীফের কারসাজিতে এ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ ওঠার পর শরীফকে ইউপি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তিনি এখনও নিজেকে উদ্যোক্তা পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন বলে জানা গেছে।
নান্দাইল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তার ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী হিসেবে অনুমোদন পান। ভাতার অর্থ উত্তোলনের জন্য তার নামে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় একটি হিসাব (১০৮৩৪৬১০৪৪২৪৮) খোলা হয়।
তবে সালমার স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হিসাব খোলার পরও গত দুই বছরে তার স্ত্রী কোনো ভাতা পাননি। বিষয়টি জানতে তিনি একাধিকবার ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের কাছে গেলে ‘সার্ভার সমস্যাসহ’ নানা অজুহাতে মাসের পর মাস ঘোরানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
গত রোববার (১ মার্চ) নান্দাইলের বাঁশহাটি বাজারে গিয়ে উদ্যোক্তা শরীফকে পাওয়া যায়। তার কাছে সালমা আক্তারের ভাতা না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ব্যাংক হিসাব নম্বরটি ভুল হয়েছে। তিনি এটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লোকজনকে ধরে সংশোধন করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান।
ভুক্তভোগী সালমার ব্যাংক হিসাব নম্বরটি এ প্রতিবেদক সংগ্রহ করেন। পরে সেটি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমানের কাছে দেওয়া হলে নথি যাচাই করে তিনি জানান, হিসাবটি সালমা আক্তারের নামে নয়, বরং নান্দাইল উপজেলার ঘোষপালা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিরীনা আক্তারের নামে খোলা হয়েছে। অথচ শিরীনা আক্তার মাতৃত্বকালীন ভাতার অনুমোদিত ভাতাভোগী নন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নে মোট ১০১ জন মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর নাম রয়েছে। তালিকায় ঘোষপালা ও বাঁশহাটি গ্রামের দুই শিরীনা আক্তারের নাম থাকলেও অনুমোদিত ভাতাভোগী হচ্ছেন বাঁশহাটি গ্রামের শিরীনা। তবে তিনিও ভাতা পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ঘোষপালা গ্রামের শিরীনা ভাতাভোগী নন, কিন্তু তাঁর নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে নিয়মিত ভাতার অর্থ জমা হয়েছে এবং উত্তোলনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
ঘোষপালা গ্রামে গিয়ে শিরীনাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার স্বামী আশরাফুল ইসলাম বলেন, তার স্ত্রী ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে তালিকাভুক্ত হননি।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাস বাদে শিরীনার হিসাব নম্বরে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে জমা হয়েছে। গত দুই বছরে হিসাবটি থেকে নিয়মিত অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে কারা ওই অর্থ তুলেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমান বলেন, ‘সালমা আক্তার আমাদের তালিকাভুক্ত অনুমোদিত ভাতাভোগী। ব্যাংক হিসাব খোলা ও লেনদেনের বিষয়টি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এখানে আমাদের সরাসরি ভূমিকা নেই। সালমা যদি ভাতা না পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।’ এ ছাড়া ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের বিরুদ্ধে ওঠা কারসাজির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি এর আগেও ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছিল।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় মোছা. সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।
উপজেলার ৪ নম্বর চণ্ডীপাশা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোক্তা মো. শরীফের কারসাজিতে এ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ ওঠার পর শরীফকে ইউপি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তিনি এখনও নিজেকে উদ্যোক্তা পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন বলে জানা গেছে।
নান্দাইল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তার ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী হিসেবে অনুমোদন পান। ভাতার অর্থ উত্তোলনের জন্য তার নামে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় একটি হিসাব (১০৮৩৪৬১০৪৪২৪৮) খোলা হয়।
তবে সালমার স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হিসাব খোলার পরও গত দুই বছরে তার স্ত্রী কোনো ভাতা পাননি। বিষয়টি জানতে তিনি একাধিকবার ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের কাছে গেলে ‘সার্ভার সমস্যাসহ’ নানা অজুহাতে মাসের পর মাস ঘোরানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
গত রোববার (১ মার্চ) নান্দাইলের বাঁশহাটি বাজারে গিয়ে উদ্যোক্তা শরীফকে পাওয়া যায়। তার কাছে সালমা আক্তারের ভাতা না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ব্যাংক হিসাব নম্বরটি ভুল হয়েছে। তিনি এটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লোকজনকে ধরে সংশোধন করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান।
ভুক্তভোগী সালমার ব্যাংক হিসাব নম্বরটি এ প্রতিবেদক সংগ্রহ করেন। পরে সেটি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমানের কাছে দেওয়া হলে নথি যাচাই করে তিনি জানান, হিসাবটি সালমা আক্তারের নামে নয়, বরং নান্দাইল উপজেলার ঘোষপালা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিরীনা আক্তারের নামে খোলা হয়েছে। অথচ শিরীনা আক্তার মাতৃত্বকালীন ভাতার অনুমোদিত ভাতাভোগী নন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নে মোট ১০১ জন মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর নাম রয়েছে। তালিকায় ঘোষপালা ও বাঁশহাটি গ্রামের দুই শিরীনা আক্তারের নাম থাকলেও অনুমোদিত ভাতাভোগী হচ্ছেন বাঁশহাটি গ্রামের শিরীনা। তবে তিনিও ভাতা পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ঘোষপালা গ্রামের শিরীনা ভাতাভোগী নন, কিন্তু তাঁর নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে নিয়মিত ভাতার অর্থ জমা হয়েছে এবং উত্তোলনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
ঘোষপালা গ্রামে গিয়ে শিরীনাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার স্বামী আশরাফুল ইসলাম বলেন, তার স্ত্রী ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে তালিকাভুক্ত হননি।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাস বাদে শিরীনার হিসাব নম্বরে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে জমা হয়েছে। গত দুই বছরে হিসাবটি থেকে নিয়মিত অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে কারা ওই অর্থ তুলেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাশেদা রহমান বলেন, ‘সালমা আক্তার আমাদের তালিকাভুক্ত অনুমোদিত ভাতাভোগী। ব্যাংক হিসাব খোলা ও লেনদেনের বিষয়টি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এখানে আমাদের সরাসরি ভূমিকা নেই। সালমা যদি ভাতা না পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।’ এ ছাড়া ইউপি উদ্যোক্তা শরীফের বিরুদ্ধে ওঠা কারসাজির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি এর আগেও ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছিল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে