
রাজশাহী ব্যুরো

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের পর অস্থিরাবস্থার পর রাজশাহীতে আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। অফিস আদালত দোকানপাট খোলার পর বেড়েছে কর্মচাঞ্চলতা। এছাড়া, সড়কগুলোতে বেড়েছে গণপরিবহণ, বাড়ছে লোকসমাগমও। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজশাহীতে কর্মস্থলে ফেরেননি পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় নাগরিক জীবনযাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে রাজশাহীর ব্যাংক, বীমা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ প্রায় সব ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। সকাল থেকেই নিয়মিত লেনদেন শুরু করছে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ভাঙচুর ও লুটপাট হওয়ায় কয়েকটি ব্যাংকের বুথ এবং অবকাঠামো ক্ষতি হওয়ায় সেসব ব্যাংকের এটিএম বুথ চালু করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ১ লাখ টাকার বেশি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে না পারায় বৃহস্পতিবার অনেকেই বড় ধরনের লেনদেন নিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়েন।
এদিকে, পুলিশ সদস্যরা কর্মস্থলে না ফেরায় বিভাগীয় শহর রাজশাহীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে। এতে নানা শঙ্কায় রাজশাহীজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবুও সচেতন জনগণ ও শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠেতে শুরু করেছে নাগরিক জীবনযাত্রা।
অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলন সর্বাত্মক সফলের পর এখন দেশ ও রাষ্ট্র সংস্কারে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে রাজপথে রয়েছেন বিশাল ছাত্রজনতা। ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে রাজশাহী নগরীর জঞ্জাল পরিষ্কার করছেন। নিয়মিতভাবে সামলাচ্ছেন ট্রাফিক ব্যবস্থা। এতে কোনো সড়কেই যানবাহন চলাচলে কোনো গোলযোগ নেই। এক অন্যরকম বাংলাদেশ উপহার পেয়ে সাধারণ মানুষও দারুণভাবে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন। উজ্জীবিত এ বিশাল ছাত্রজনতার পাশাপাশি রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের রোভার স্কাউট, বয়েজ স্কাউট, গার্লস গাইড, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, হেলপ পিপল ও ইয়াস গ্রুপের তরুণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদেরকেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এসব কাজে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাচ্ছে।
আবার, হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ঠেকাতে অনেকে গ্রুপ ভিত্তিক রাত জেগে বরেন্দ্র জাদুঘর, হাইটেক পার্ক, নগর ভবন, কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারা দিচ্ছেন।
এতে নগরজুড়ে অনেকটাই স্বস্তি ফেরায় বাস-ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। স্বল্প পরিসরে ছাড়ছে দূর পাল্লার বাস। ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটও খোলা রয়েছে। তবে এখনো রাজশাহী থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ভবন, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সদর দপ্তর, মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়, মেয়রসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাসভবন, নগরীর সব থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি, হাইটেক পার্কে থাকা স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বেশ কিছু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে রাজশাহীজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের পর অস্থিরাবস্থার পর রাজশাহীতে আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। অফিস আদালত দোকানপাট খোলার পর বেড়েছে কর্মচাঞ্চলতা। এছাড়া, সড়কগুলোতে বেড়েছে গণপরিবহণ, বাড়ছে লোকসমাগমও। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজশাহীতে কর্মস্থলে ফেরেননি পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় নাগরিক জীবনযাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে রাজশাহীর ব্যাংক, বীমা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ প্রায় সব ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। সকাল থেকেই নিয়মিত লেনদেন শুরু করছে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ভাঙচুর ও লুটপাট হওয়ায় কয়েকটি ব্যাংকের বুথ এবং অবকাঠামো ক্ষতি হওয়ায় সেসব ব্যাংকের এটিএম বুথ চালু করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ১ লাখ টাকার বেশি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে না পারায় বৃহস্পতিবার অনেকেই বড় ধরনের লেনদেন নিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়েন।
এদিকে, পুলিশ সদস্যরা কর্মস্থলে না ফেরায় বিভাগীয় শহর রাজশাহীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে। এতে নানা শঙ্কায় রাজশাহীজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবুও সচেতন জনগণ ও শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠেতে শুরু করেছে নাগরিক জীবনযাত্রা।
অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলন সর্বাত্মক সফলের পর এখন দেশ ও রাষ্ট্র সংস্কারে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে রাজপথে রয়েছেন বিশাল ছাত্রজনতা। ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে রাজশাহী নগরীর জঞ্জাল পরিষ্কার করছেন। নিয়মিতভাবে সামলাচ্ছেন ট্রাফিক ব্যবস্থা। এতে কোনো সড়কেই যানবাহন চলাচলে কোনো গোলযোগ নেই। এক অন্যরকম বাংলাদেশ উপহার পেয়ে সাধারণ মানুষও দারুণভাবে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন। উজ্জীবিত এ বিশাল ছাত্রজনতার পাশাপাশি রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের রোভার স্কাউট, বয়েজ স্কাউট, গার্লস গাইড, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, হেলপ পিপল ও ইয়াস গ্রুপের তরুণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদেরকেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এসব কাজে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাচ্ছে।
আবার, হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ঠেকাতে অনেকে গ্রুপ ভিত্তিক রাত জেগে বরেন্দ্র জাদুঘর, হাইটেক পার্ক, নগর ভবন, কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারা দিচ্ছেন।
এতে নগরজুড়ে অনেকটাই স্বস্তি ফেরায় বাস-ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। স্বল্প পরিসরে ছাড়ছে দূর পাল্লার বাস। ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটও খোলা রয়েছে। তবে এখনো রাজশাহী থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ভবন, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সদর দপ্তর, মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়, মেয়রসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাসভবন, নগরীর সব থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি, হাইটেক পার্কে থাকা স্টার সিনেপ্লেক্সসহ বেশ কিছু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে রাজশাহীজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
২১ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে