
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পল্লির এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামিদের হুমকির মুখে বাদীপক্ষ বাড়িছাড়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা বর্তমানে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। নিরাপত্তা চেয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগের অনুলিপি ও মামলার নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, বাদীপক্ষ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের ভাটি চর নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত রায়হান মিয়া (২৫) নান্দাইল উপজেলার চর শ্রীরামপুর গ্রামের সাহাদ উল্লাহর ছেলে।
ভুক্তভোগী মেয়েটির মা জানান, তার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৫ নভেম্বর রায়হান মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির মা ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। মামলাটি সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে (মামলা নং-১৪/২০২৬) বিচারাধীন।
বাদী বলেন, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে উদ্ধার হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলা করার পর থেকেই আসামিরা আমার ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, গত ১৭ জুলাই বাড়িতে যাওয়ার সময় আসামিরা আমাকে পথে আটকায়। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয়। মামলা তুলে না নিলে আমাকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেয়।
এরপর থেকেই তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ভয়ে ও নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বাধ্য হয়ে গত সোমবার (২০ জুলাই) তারা নিরাপত্তা চেয়ে এসসি বরাবর আবেদন করেছেন।
জানতে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানতেন না বলে দাবি করেন ওসি রবিউল। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পল্লির এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামিদের হুমকির মুখে বাদীপক্ষ বাড়িছাড়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা বর্তমানে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। নিরাপত্তা চেয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগের অনুলিপি ও মামলার নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, বাদীপক্ষ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের ভাটি চর নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত রায়হান মিয়া (২৫) নান্দাইল উপজেলার চর শ্রীরামপুর গ্রামের সাহাদ উল্লাহর ছেলে।
ভুক্তভোগী মেয়েটির মা জানান, তার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৫ নভেম্বর রায়হান মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির মা ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। মামলাটি সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে (মামলা নং-১৪/২০২৬) বিচারাধীন।
বাদী বলেন, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে উদ্ধার হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলা করার পর থেকেই আসামিরা আমার ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, গত ১৭ জুলাই বাড়িতে যাওয়ার সময় আসামিরা আমাকে পথে আটকায়। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয়। মামলা তুলে না নিলে আমাকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেয়।
এরপর থেকেই তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ভয়ে ও নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বাধ্য হয়ে গত সোমবার (২০ জুলাই) তারা নিরাপত্তা চেয়ে এসসি বরাবর আবেদন করেছেন।
জানতে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানতেন না বলে দাবি করেন ওসি রবিউল। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে