
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

বাবা ছেলে দুজনই বীজতলায় ছিলেন। বাবা সেখানে কাজ করছিলেন। শিশুপুত্র বাবার পিছু পিছু এটা সেটা এগিয়ে দিচ্ছিল। এমন সময় আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি ছাট থেকে বাঁচার জন্য দুজন একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। এ সময় হঠাৎ আকাশ চমকিয়ে বজ্রপাত ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান বাবা ছেলে।
মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার বিকাল পাঁচটার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ১১ নং খারুয়া ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামে। নিহতরা হচ্ছেন, বাবা গোলাম মোস্তফা (৪৫) ও তাঁর পুত্র নাইম (৬)।
এলাকার লোকজন ও নিহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুছ ছাত্তারের পুত্র গোলাম মোস্তুফা বাড়ির উত্তরদিকে অবস্থিত বীজতলায় কাজ করছিলেন। তখন আকাশ পরিস্কার ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি পড়তে থাকে। এ সময় মেঘের গর্জন শুরু হয়।
নিহতের চাচা রফিকুল ইসলাম জানান, মেঘের গর্জন শুনে গোলাম মোস্তফা তাঁর শিশুপুত্র নাইমকে নিয়ে বীজতলা ছেড়ে পাশের একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন। এ সময় বিকট শব্দে সেখানে বজ্রপাত ঘটে। বজ্রপাতের ঝলকে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবা-ছেলে।
নিহতের চাচা আরও জানান, গত চার মাস আগে গোলাম মোস্তফা তাঁর কর্মস্থল সৌদি আরব থেকে ছুটি নিয়ে দেশে ফেরেন। ছুটি শেষ হলে আবারও সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু ঘটার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, থানা থেকে নিহতদের বাড়িতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

বাবা ছেলে দুজনই বীজতলায় ছিলেন। বাবা সেখানে কাজ করছিলেন। শিশুপুত্র বাবার পিছু পিছু এটা সেটা এগিয়ে দিচ্ছিল। এমন সময় আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি ছাট থেকে বাঁচার জন্য দুজন একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। এ সময় হঠাৎ আকাশ চমকিয়ে বজ্রপাত ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান বাবা ছেলে।
মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার বিকাল পাঁচটার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ১১ নং খারুয়া ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামে। নিহতরা হচ্ছেন, বাবা গোলাম মোস্তফা (৪৫) ও তাঁর পুত্র নাইম (৬)।
এলাকার লোকজন ও নিহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুছ ছাত্তারের পুত্র গোলাম মোস্তুফা বাড়ির উত্তরদিকে অবস্থিত বীজতলায় কাজ করছিলেন। তখন আকাশ পরিস্কার ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি পড়তে থাকে। এ সময় মেঘের গর্জন শুরু হয়।
নিহতের চাচা রফিকুল ইসলাম জানান, মেঘের গর্জন শুনে গোলাম মোস্তফা তাঁর শিশুপুত্র নাইমকে নিয়ে বীজতলা ছেড়ে পাশের একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন। এ সময় বিকট শব্দে সেখানে বজ্রপাত ঘটে। বজ্রপাতের ঝলকে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবা-ছেলে।
নিহতের চাচা আরও জানান, গত চার মাস আগে গোলাম মোস্তফা তাঁর কর্মস্থল সৌদি আরব থেকে ছুটি নিয়ে দেশে ফেরেন। ছুটি শেষ হলে আবারও সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু ঘটার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, থানা থেকে নিহতদের বাড়িতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে