
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় মানবপাচারের অভিযোগে এক দালালসহ চীনের এক নাগরিককে আটক করে কেন্দুয়া থানার পুলিশ। এ সময় তিন তরুণীকে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিডিয়া মুখপাত্র নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. হাফিজুর ইসলাম এসব তথ্য জানিয়ছেন।
আটক চীনা নাগরিক হলেন লি ওয়েই হাও। তার সঙ্গে দালাল হিসেবে আটক করা হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে মো. ফরিদুল ইসলামকে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর ইসলাম জানান, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কেন্দুয়া পৌরসভা এলাকায় কমলপুর গ্রামের এক গার্মেন্টস কর্মীকে গত ১ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন চীনা বিদেশী নাগরিক লি ওয়েই হাও। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তাকে নিয়ে লির চীনে চলে যাওয়ার কথা ছিল। ওই পোশাক কর্মীকে বিয়ে করা ও তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের লোকজনকে এক লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলেন লি।
পুলিশ জানায়, চীন চলে যাওয়ার আগে পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য স্বামীকে নিয়ে মেয়েটি কেন্দুয়া থানার কমলপুর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ফরিদুল এবং আরও দুই মেয়ে তাদের সঙ্গে ছিলেন। এর মধ্যে জামালপুরের এক মেয়ের সঙ্গে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আরেক চীনা নাগরিকের বিয়ে হয়েছে বলে জানানো হয়।
এদিকে বাড়ি আসার পর মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা লি’র কাছে তার পাসপোর্ট ও বাংলাদেশে থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। লি তা দেখাতে পারেননি। তার সহযোগী অন্যদের কাছেও সন্তোষজনক কোনো জবাব না পেয়ে মেয়েটির পরিবার তাদের সবাইকে অবরুদ্ধ করে কেন্দুয়া থানায় খবর দেয়।
পুলিশ বলছে, কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে চীনা নাগরিক ও বাংলাদেশি সহযোগী ফরিদুল ইসলামকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তাদের আরও জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তিন তরুণীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে।
হাফিজুর ইসলাম বলেন, পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, ওই চীনা নাগরিক কোনো পাচারকারী দলের সদস্য। ফরিদুল তার সহযোগী। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

নেত্রকোনায় মানবপাচারের অভিযোগে এক দালালসহ চীনের এক নাগরিককে আটক করে কেন্দুয়া থানার পুলিশ। এ সময় তিন তরুণীকে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিডিয়া মুখপাত্র নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. হাফিজুর ইসলাম এসব তথ্য জানিয়ছেন।
আটক চীনা নাগরিক হলেন লি ওয়েই হাও। তার সঙ্গে দালাল হিসেবে আটক করা হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে মো. ফরিদুল ইসলামকে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর ইসলাম জানান, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কেন্দুয়া পৌরসভা এলাকায় কমলপুর গ্রামের এক গার্মেন্টস কর্মীকে গত ১ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন চীনা বিদেশী নাগরিক লি ওয়েই হাও। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তাকে নিয়ে লির চীনে চলে যাওয়ার কথা ছিল। ওই পোশাক কর্মীকে বিয়ে করা ও তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের লোকজনকে এক লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলেন লি।
পুলিশ জানায়, চীন চলে যাওয়ার আগে পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য স্বামীকে নিয়ে মেয়েটি কেন্দুয়া থানার কমলপুর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ফরিদুল এবং আরও দুই মেয়ে তাদের সঙ্গে ছিলেন। এর মধ্যে জামালপুরের এক মেয়ের সঙ্গে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আরেক চীনা নাগরিকের বিয়ে হয়েছে বলে জানানো হয়।
এদিকে বাড়ি আসার পর মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা লি’র কাছে তার পাসপোর্ট ও বাংলাদেশে থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। লি তা দেখাতে পারেননি। তার সহযোগী অন্যদের কাছেও সন্তোষজনক কোনো জবাব না পেয়ে মেয়েটির পরিবার তাদের সবাইকে অবরুদ্ধ করে কেন্দুয়া থানায় খবর দেয়।
পুলিশ বলছে, কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে চীনা নাগরিক ও বাংলাদেশি সহযোগী ফরিদুল ইসলামকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তাদের আরও জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তিন তরুণীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে।
হাফিজুর ইসলাম বলেন, পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, ওই চীনা নাগরিক কোনো পাচারকারী দলের সদস্য। ফরিদুল তার সহযোগী। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে