
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার জেলা শহরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫ জন নেতাকর্মীকে নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার। মামলার বাদী আহত জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেত্রকোনা জেলা কমিটির সিনিয়র সদস্যসচিব মুশফিকুর রহমান মিন্টু। বুধবার রাতে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খান অভ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাফিজ রেশিম ও দেওয়ান রনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আরিফুজ্জামান রনি ও সাধারণ সম্পাদক আরেফিন কায়সার শুভ, যুবলীগ নেতা দেওয়ান বাঁধন এবং ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক রায় ও গৌরব আহমেদ খানসহ আরও অনেকে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে নেত্রকোনা শহরের জয়নগর মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। গত ১০ জুন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে বাদী জানতে পারেন, রাতের আঁধারে একদল ব্যক্তি স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয় এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
বাদীর অভিযোগ, এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সরকার বলেন, “এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাতে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার জয়নগর মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
রাজনীতি/আরআইআর

নেত্রকোনার জেলা শহরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫ জন নেতাকর্মীকে নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার। মামলার বাদী আহত জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেত্রকোনা জেলা কমিটির সিনিয়র সদস্যসচিব মুশফিকুর রহমান মিন্টু। বুধবার রাতে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খান অভ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাফিজ রেশিম ও দেওয়ান রনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আরিফুজ্জামান রনি ও সাধারণ সম্পাদক আরেফিন কায়সার শুভ, যুবলীগ নেতা দেওয়ান বাঁধন এবং ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক রায় ও গৌরব আহমেদ খানসহ আরও অনেকে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে নেত্রকোনা শহরের জয়নগর মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। গত ১০ জুন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে বাদী জানতে পারেন, রাতের আঁধারে একদল ব্যক্তি স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয় এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
বাদীর অভিযোগ, এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সরকার বলেন, “এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাতে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার জয়নগর মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
রাজনীতি/আরআইআর

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে