
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মো. আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তার নিয়োগ বাতিল ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় এ বিষয়ে একটি রেজুলেশনও গৃহীত হয়েছে।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও সানজিদা রহমান সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মাইজবাগ ইউপি চেয়ারম্যান মো. ছাইদুল ইসলাম জানান, গত ২৯ মার্চ উপজেলার তারাটি গ্রামের শাফিয়া আক্তার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনলাইনে একটি ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেন। পরে ঘটনাক্রমে লাইসেন্সটি তার হাতে এলে তিনি দেখতে পান, এতে থাকা স্বাক্ষরটি তার নয়।
চেয়ারম্যানের ভাষ্য, পরে শাফিয়া আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান তার (চেয়ারম্যান) স্বাক্ষর জাল করে লাইসেন্সটি ইস্যু করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত উদ্যোক্তা নিজেই গ্রাহকের কাছ থেকে লাইসেন্সটি কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেন।
স্বাক্ষর জাল করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে আনিসুজ্জামান উত্তেজিত হয়ে চেয়ারম্যান ও উপস্থিত ইউপি সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান ছাইদুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় অভিযুক্ত উদ্যোক্তা দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘তুই-তোকারি’ করা, অশোভন আচরণ এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
চেয়ারম্যান ছাইদুল ইসলামের দাবি, এটি প্রথম অভিযোগ নয়। এর আগে ২০২২ সালে জেলা প্রশাসক এবং ২০২৫ সালে বিভাগীয় কমিশনার ও দুদক বরাবর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, সরকারি কার্ডের টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তার দ্রুত অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অন্যথায় আগামী রোববার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’
তবে অভিযুক্ত উদ্যোক্তা মো. আনিসুজ্জামান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। চেয়ারম্যানের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হলেও স্বাক্ষর জালিয়াতি বা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মো. আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তার নিয়োগ বাতিল ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় এ বিষয়ে একটি রেজুলেশনও গৃহীত হয়েছে।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও সানজিদা রহমান সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মাইজবাগ ইউপি চেয়ারম্যান মো. ছাইদুল ইসলাম জানান, গত ২৯ মার্চ উপজেলার তারাটি গ্রামের শাফিয়া আক্তার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনলাইনে একটি ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেন। পরে ঘটনাক্রমে লাইসেন্সটি তার হাতে এলে তিনি দেখতে পান, এতে থাকা স্বাক্ষরটি তার নয়।
চেয়ারম্যানের ভাষ্য, পরে শাফিয়া আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান তার (চেয়ারম্যান) স্বাক্ষর জাল করে লাইসেন্সটি ইস্যু করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত উদ্যোক্তা নিজেই গ্রাহকের কাছ থেকে লাইসেন্সটি কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেন।
স্বাক্ষর জাল করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে আনিসুজ্জামান উত্তেজিত হয়ে চেয়ারম্যান ও উপস্থিত ইউপি সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান ছাইদুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় অভিযুক্ত উদ্যোক্তা দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘তুই-তোকারি’ করা, অশোভন আচরণ এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
চেয়ারম্যান ছাইদুল ইসলামের দাবি, এটি প্রথম অভিযোগ নয়। এর আগে ২০২২ সালে জেলা প্রশাসক এবং ২০২৫ সালে বিভাগীয় কমিশনার ও দুদক বরাবর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, সরকারি কার্ডের টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তার দ্রুত অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অন্যথায় আগামী রোববার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’
তবে অভিযুক্ত উদ্যোক্তা মো. আনিসুজ্জামান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। চেয়ারম্যানের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হলেও স্বাক্ষর জালিয়াতি বা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে