
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমিজমার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক ভাইয়ের হাতে আরেক ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত আবুল কাশেম এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কালাম (৬৫) উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের মমরেজপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রয়াত ছফির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবুল কাশেম নিহতের আত্মীয় (মামাতো-ফুফাতো ভাই)। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আবুল কালাম সোহাগী বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আতকাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত কাশেম তাকে ছুরিকাঘাত করেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবুল কালামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমিজমার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক ভাইয়ের হাতে আরেক ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত আবুল কাশেম এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কালাম (৬৫) উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের মমরেজপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রয়াত ছফির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবুল কাশেম নিহতের আত্মীয় (মামাতো-ফুফাতো ভাই)। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আবুল কালাম সোহাগী বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আতকাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত কাশেম তাকে ছুরিকাঘাত করেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবুল কালামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে