
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

পাথর ভাঙার মেশিন (ক্রাশার মেশিন) চালিয়ে বায়ু দুষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার এক পাথর ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নান্দাইল উপজেলার তারঘাট বাজারের পাথর মহালে গিয়ে আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারমিনা সাত্তার। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের তারঘাট বাজারে নরসুন্দা নদীর দুই পারে অবস্থিত পাথর মহাল। প্রতিবছর ওই মহালে শত কোটির টাকার পাথর বেচাকেনা হয়। সেই মহালের প্রতিদিন খোলা জায়গায় ক্রাশার মেশিন দিয়ে শত শত টন পাথর ভাঙানো হচ্ছিল। এতে পাথরের সূক্ষ্ম গুঁড়া বাতাসে উড়ে গিয়ে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে প্রবেশ করছে।
স্থানীয়রা বায়ু দুষণ নিয়ে একাধিকবার পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও সাংবাদ প্রকাশিত হয়। গত বছর পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কর্মকর্তারা এসে ক্রাশার মেশিন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে যান। কিন্তু তারঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ীরা সেই নির্দেশ অমান্য করছিলেন।
বুধবার যৌথ বাহিনীসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যজিস্ট্রেট সারমিনা সাত্তার তারঘাট বাজারে গিয়ে দেখতে পান, ক্রাশার মেশিনগুলো চলছে। ইউএনওকে দেখে বেশিরভাগ ক্রাশার মেশিন বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
পরে প্রকাশ্যে ক্রাশার মেশিন চালিয়ে বায়ু দুষণ করার অভিযোগে পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চুকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান বলেন, ক্রাশার মেশিন ব্যবহার করতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। তারঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অনুমতি ছিল না। তাই পাথর মহালের ২৯ টি ক্রাশার মেশিন জব্দ করা হয়েছে।

পাথর ভাঙার মেশিন (ক্রাশার মেশিন) চালিয়ে বায়ু দুষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার এক পাথর ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নান্দাইল উপজেলার তারঘাট বাজারের পাথর মহালে গিয়ে আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারমিনা সাত্তার। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উপজেলার মুশুলি ইউনিয়নের তারঘাট বাজারে নরসুন্দা নদীর দুই পারে অবস্থিত পাথর মহাল। প্রতিবছর ওই মহালে শত কোটির টাকার পাথর বেচাকেনা হয়। সেই মহালের প্রতিদিন খোলা জায়গায় ক্রাশার মেশিন দিয়ে শত শত টন পাথর ভাঙানো হচ্ছিল। এতে পাথরের সূক্ষ্ম গুঁড়া বাতাসে উড়ে গিয়ে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে প্রবেশ করছে।
স্থানীয়রা বায়ু দুষণ নিয়ে একাধিকবার পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও সাংবাদ প্রকাশিত হয়। গত বছর পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কর্মকর্তারা এসে ক্রাশার মেশিন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে যান। কিন্তু তারঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ীরা সেই নির্দেশ অমান্য করছিলেন।
বুধবার যৌথ বাহিনীসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যজিস্ট্রেট সারমিনা সাত্তার তারঘাট বাজারে গিয়ে দেখতে পান, ক্রাশার মেশিনগুলো চলছে। ইউএনওকে দেখে বেশিরভাগ ক্রাশার মেশিন বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
পরে প্রকাশ্যে ক্রাশার মেশিন চালিয়ে বায়ু দুষণ করার অভিযোগে পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চুকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান বলেন, ক্রাশার মেশিন ব্যবহার করতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। তারঘাট বাজারের পাথর ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অনুমতি ছিল না। তাই পাথর মহালের ২৯ টি ক্রাশার মেশিন জব্দ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে