
রাজশাহী ব্যুরো

ভারতের ফারাক্কা বাঁধের সব গেট খুলে দেওয়ার পর থেকে পদ্মা নদীতে হু হু করে পানির চাপ বাড়ছে। এতে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ এবং ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ পদ্ম সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে এখনও আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তাদের দাবি, রাজশাহী অঞ্চলের নদীগুলোতে পানি এখনও বিপদসীমার অনেক নিচে রয়েছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এই অঞ্চলে বন্যার কোনো পূর্বাভাস নেই।
নদী সংলগ্ন ও চরবাসীরা জানান, প্রতি বছরের ন্যায় চলতি মৌসুমেও ফারাক্কা বাঁধের সবকটি গেট খুলে দিয়েছে ভারত সরকার। তবে নদী সংলগ্ন চরগুলোর দু-এক জায়গায় পানি ঢুকলেও রাজশাহী অঞ্চলে পদ্মা নদীর পানি এখনও স্বাভাবিক আছে। আগামীতে খারাপ কোনো পরিস্থিতি হওয়ার শঙ্কার রয়েছি।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ভূবন পাড়া গ্রামের কৃষক ফারুক আলী বলেন, পদ্মা নদীর পানি এখনো বৃদ্ধি পায়নি। তবে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ এবং ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
একই ইউনিয়নের ট্যাকপাড়া গ্রামের কৃষক জাহিদ হোসেন বলেন, নদীর ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ফসলের জমিগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফারাক্কার সমস্ত গেট খুলে দেওয়ায় পানির চাপ বৃদ্ধির কারণে আবাদি জমি ভেঙে যাচ্ছে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, রাজশাহীতে পদ্মা নদীর বিপদসীমা ১৮ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার নির্ধারিত আছে। গত ১৮ ঘণ্টায় অপরিবর্তিত রয়েছে পদ্মা নদীতে পানির উচ্চতা। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহীর বড়কুঠি পয়েন্টে নদীতে পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার, যা মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত অপরিবর্তিত ছিল। তবে ১৭ আগস্ট চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ পানির উচ্চতা ১৬ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার ছিল। এছাড়াও গত রোববার সন্ধ্যা ৬টায় পদ্মা নদীর রাজশাহী অংশে পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার। আগের দিন শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় যা ছিল ১৬ দশমিক ২৪ সেন্টিমিটার। এদিকে, পাশের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাংখা পয়েন্টে সোমবার ভোর ৬টা ও সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ২০ দশমিক ৪৮ মিটার। বিকেল ৩টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৫০ মিটারে, যা এখনও অপিবর্তিত আছে। পাংখায় বিপৎসীমা ২২ দশমিক ০৫ মিটার।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গেজ রিডার এনামুল হক বলেন, ফারাক্কার সব গেট খুলে দেওয়ার বিষয়টি আমরাও শুনেছি। তবে এখনই আতঙ্কের কিছু নাই। ২০১৩ সালের পরে আমাদের দিকে পানি বিপদসীমা পার হয় নি। রাজশাহীর সব পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় পানির যে উচ্চতা ছিল, দুপুর ১২টার দিকেও সেটাই ছিল।
উত্তরাঞ্চলীয় পানিবিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, সাধারণত ১০ দিনের জন্য নদ-নদীর পানি বাড়ার পূর্বাভাস দেন তারা। সেই হিসাবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পদ্মার পানির প্রকৃত অবস্থা ও পরবর্তী পরিস্থিতি অনুমান করা সম্ভব হবে।

ভারতের ফারাক্কা বাঁধের সব গেট খুলে দেওয়ার পর থেকে পদ্মা নদীতে হু হু করে পানির চাপ বাড়ছে। এতে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ এবং ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ পদ্ম সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে এখনও আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তাদের দাবি, রাজশাহী অঞ্চলের নদীগুলোতে পানি এখনও বিপদসীমার অনেক নিচে রয়েছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এই অঞ্চলে বন্যার কোনো পূর্বাভাস নেই।
নদী সংলগ্ন ও চরবাসীরা জানান, প্রতি বছরের ন্যায় চলতি মৌসুমেও ফারাক্কা বাঁধের সবকটি গেট খুলে দিয়েছে ভারত সরকার। তবে নদী সংলগ্ন চরগুলোর দু-এক জায়গায় পানি ঢুকলেও রাজশাহী অঞ্চলে পদ্মা নদীর পানি এখনও স্বাভাবিক আছে। আগামীতে খারাপ কোনো পরিস্থিতি হওয়ার শঙ্কার রয়েছি।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ভূবন পাড়া গ্রামের কৃষক ফারুক আলী বলেন, পদ্মা নদীর পানি এখনো বৃদ্ধি পায়নি। তবে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ এবং ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
একই ইউনিয়নের ট্যাকপাড়া গ্রামের কৃষক জাহিদ হোসেন বলেন, নদীর ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ফসলের জমিগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফারাক্কার সমস্ত গেট খুলে দেওয়ায় পানির চাপ বৃদ্ধির কারণে আবাদি জমি ভেঙে যাচ্ছে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, রাজশাহীতে পদ্মা নদীর বিপদসীমা ১৮ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার নির্ধারিত আছে। গত ১৮ ঘণ্টায় অপরিবর্তিত রয়েছে পদ্মা নদীতে পানির উচ্চতা। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহীর বড়কুঠি পয়েন্টে নদীতে পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার, যা মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত অপরিবর্তিত ছিল। তবে ১৭ আগস্ট চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ পানির উচ্চতা ১৬ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার ছিল। এছাড়াও গত রোববার সন্ধ্যা ৬টায় পদ্মা নদীর রাজশাহী অংশে পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার। আগের দিন শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় যা ছিল ১৬ দশমিক ২৪ সেন্টিমিটার। এদিকে, পাশের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাংখা পয়েন্টে সোমবার ভোর ৬টা ও সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ২০ দশমিক ৪৮ মিটার। বিকেল ৩টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৫০ মিটারে, যা এখনও অপিবর্তিত আছে। পাংখায় বিপৎসীমা ২২ দশমিক ০৫ মিটার।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গেজ রিডার এনামুল হক বলেন, ফারাক্কার সব গেট খুলে দেওয়ার বিষয়টি আমরাও শুনেছি। তবে এখনই আতঙ্কের কিছু নাই। ২০১৩ সালের পরে আমাদের দিকে পানি বিপদসীমা পার হয় নি। রাজশাহীর সব পয়েন্টে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় পানির যে উচ্চতা ছিল, দুপুর ১২টার দিকেও সেটাই ছিল।
উত্তরাঞ্চলীয় পানিবিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, সাধারণত ১০ দিনের জন্য নদ-নদীর পানি বাড়ার পূর্বাভাস দেন তারা। সেই হিসাবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পদ্মার পানির প্রকৃত অবস্থা ও পরবর্তী পরিস্থিতি অনুমান করা সম্ভব হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২১ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে