
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস বা অজ্ঞাত যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই গ্রামের তিন বন্ধু নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সংলগ্ন নওপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের হাসানহাটি গ্রামের দলিল উদ্দিন মোল্লার ছেলে চয়ন মোল্লা (২৩), একই গ্রামের আজগর শেখের ছেলে সজীব ওরফে সিয়াম (২২) এবং এনায়েত মোল্লার ছেলে নয়ন মোল্লা (২১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ওই তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে নগরকান্দা থেকে ভাঙ্গা গোলচত্বরে ঘুরতে আসেন। ঘোরাঘুরি শেষে একই মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে নওপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অজ্ঞাত এক ঘাতক যানবাহন তাদের সজোড়ে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও অপর দুজন গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চয়ন মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত অন্য দুজন নয়ন ও সিয়ামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার দিকে তাদেরও মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মো. সোহেল খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেওয়া অজ্ঞাত যানবাহনটি এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গাড়িটি চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস বা অজ্ঞাত যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই গ্রামের তিন বন্ধু নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সংলগ্ন নওপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের হাসানহাটি গ্রামের দলিল উদ্দিন মোল্লার ছেলে চয়ন মোল্লা (২৩), একই গ্রামের আজগর শেখের ছেলে সজীব ওরফে সিয়াম (২২) এবং এনায়েত মোল্লার ছেলে নয়ন মোল্লা (২১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ওই তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে নগরকান্দা থেকে ভাঙ্গা গোলচত্বরে ঘুরতে আসেন। ঘোরাঘুরি শেষে একই মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে নওপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অজ্ঞাত এক ঘাতক যানবাহন তাদের সজোড়ে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও অপর দুজন গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চয়ন মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত অন্য দুজন নয়ন ও সিয়ামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার দিকে তাদেরও মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মো. সোহেল খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেওয়া অজ্ঞাত যানবাহনটি এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গাড়িটি চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে