
রাজশাহী ব্যুরো

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা কমিটির তিন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট এবং কেন্দ্রীয় দপ্তরে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে তারা সংগঠনের সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন—হাদিউজ্জামান রাফি, ফুয়াদ হাসান গানিম ও রাবিউল ইসলাম রাহুল। গত ১৯ জুন ফেসবুকে দেওয়া পৃথক পোস্টে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের কথা জানান তারা। এর আগে ১৭ জুন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ২০ সদস্যের বাগমারা উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে আলী মর্তুজাকে প্রধান সমন্বয়কারী এবং রফিকুল ইসলাম ও আল-আমিনকে যুগ্ম সমন্বয়কারী করা হয়। কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে অনুমোদনের তারিখ থেকে তিন মাস বা পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত।
কমিটিতে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে হাদিউজ্জামান রাফি বলেন, ‘আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম যে রাজনীতি করতে আগ্রহী নই। তবুও নাম রাখা হয়েছে। তাই আমি পদত্যাগ করেছি।’
ফুয়াদ হাসান গানিম বলেন, ‘আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান। আগেই বলেছিলাম, আমি এই কমিটিতে থাকতে চাই না। তবুও নাম রাখা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করেছি।’
ব্যবসায়ী রাবিউল ইসলাম রাহুল বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে চাই না। তাই কমিটি থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য পদত্যাগ করেছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আলী মর্তুজা বলেন, ‘তারা হয়তো পারিবারিক বা সামাজিক কারণে পদত্যাগ করেছেন। এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা কমিটির তিন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট এবং কেন্দ্রীয় দপ্তরে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে তারা সংগঠনের সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন—হাদিউজ্জামান রাফি, ফুয়াদ হাসান গানিম ও রাবিউল ইসলাম রাহুল। গত ১৯ জুন ফেসবুকে দেওয়া পৃথক পোস্টে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের কথা জানান তারা। এর আগে ১৭ জুন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ২০ সদস্যের বাগমারা উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে আলী মর্তুজাকে প্রধান সমন্বয়কারী এবং রফিকুল ইসলাম ও আল-আমিনকে যুগ্ম সমন্বয়কারী করা হয়। কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে অনুমোদনের তারিখ থেকে তিন মাস বা পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত।
কমিটিতে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে হাদিউজ্জামান রাফি বলেন, ‘আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম যে রাজনীতি করতে আগ্রহী নই। তবুও নাম রাখা হয়েছে। তাই আমি পদত্যাগ করেছি।’
ফুয়াদ হাসান গানিম বলেন, ‘আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান। আগেই বলেছিলাম, আমি এই কমিটিতে থাকতে চাই না। তবুও নাম রাখা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করেছি।’
ব্যবসায়ী রাবিউল ইসলাম রাহুল বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে চাই না। তাই কমিটি থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য পদত্যাগ করেছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আলী মর্তুজা বলেন, ‘তারা হয়তো পারিবারিক বা সামাজিক কারণে পদত্যাগ করেছেন। এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে