
রাজশাহী ব্যুরো

মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বাবাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে । বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী নগরীর তালাইমারি শহীদ মিনার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আকরাম হোসেন (৪৫)। তিনি পেশায় বাসচালক। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।
নিহত বাসচালকের পরিবারের সদস্যরা জানায়, আকরাম হোসেনের মেয়েকে এলাকার কয়েকজন বখাটে ইভটিজিং করত। এই নিয়ে প্রতিবাদ করায় আকরাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে ওই যুবকরা হুমকি দিয়ে আসে। এক পর্যায়ে বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে আকরাম হোসেনকে ইট দিয়ে আঘাত করে আহত করে ওই বখাটেরা। ওই এলাকার নান্টু, বিশাল, রতনসহ বেশ কয়েকজনের এ হামলার সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কিছুক্ষণ পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
রাজশাহী নগরীব বোয়ালিয়া থানার ওসি মোস্তাক হোসেন বলেন, 'বুধবার রাতে বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ মিনারের পাশে উভয় পক্ষের মারামারিতে একজন গুরুতর আহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে অনন্ত বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।'

মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বাবাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে । বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী নগরীর তালাইমারি শহীদ মিনার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আকরাম হোসেন (৪৫)। তিনি পেশায় বাসচালক। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।
নিহত বাসচালকের পরিবারের সদস্যরা জানায়, আকরাম হোসেনের মেয়েকে এলাকার কয়েকজন বখাটে ইভটিজিং করত। এই নিয়ে প্রতিবাদ করায় আকরাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে ওই যুবকরা হুমকি দিয়ে আসে। এক পর্যায়ে বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে আকরাম হোসেনকে ইট দিয়ে আঘাত করে আহত করে ওই বখাটেরা। ওই এলাকার নান্টু, বিশাল, রতনসহ বেশ কয়েকজনের এ হামলার সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কিছুক্ষণ পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
রাজশাহী নগরীব বোয়ালিয়া থানার ওসি মোস্তাক হোসেন বলেন, 'বুধবার রাতে বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ মিনারের পাশে উভয় পক্ষের মারামারিতে একজন গুরুতর আহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে অনন্ত বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।'

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে