
রাজশাহী ব্যুরো

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যাদের রক্তে নতুন স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি এই যুদ্ধে অংশ নেয়া প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে দেশ নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তাই শহীদের রক্তে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা যেন বিফলে না যায়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ৩টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হানের জানাজার নামাজ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কারো উস্কানিতে পা না দিয়ে দেশকে সুসংগঠিত করতে হবে। শহীদের রক্তে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা যেন বিফলে না যায়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসলে তাদেরকে পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসনের সাথে ইতোমধ্যেই বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে আমাদের স্থানীয় দায়িত্বশীল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মিটিং হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, তারা যদি দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসেন আমরা তাদেরকে পাহারা দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমুল সংস্কার প্রত্যাশা করি। সংস্কারের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, কিন্তু এটি এখনও শেষ হয়নি। যেসমস্ত যুবসমাজ বৈষম্য থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য বুক উচিয়ে যুদ্ধ করেছেন সেই ছাত্র-যুবসমাজের যে প্রত্যাশা, এদেশের ১৮ কোটি মানুষের যে প্রত্যাশা আমাদের দলের সেই একই প্রত্যাশা। আর সেই প্রত্যাশা হলো দেশের ইনসাব কায়েম করা, বৈষম্য ও বেইনসাবি দূর করা এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার সুনিশ্চিত করা।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের গুরুত্বপূর্ণ যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেখানে লাঠি হাতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের পাহারাদার হিসেবে বসিয়ে দিয়েছি। গত ৩ দিন ধরে তারা দিনরাত পাহারা দিচ্ছে। তাদের (সংখ্যালঘু) মধ্য থেকে অথবা সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে কেউ যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে তাদের সাহায্যের জন্য আমরা ইমারেন্সি হেল্পলাইন ওপেন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় পাড়ায় পাড়ায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কমিটি ফরমেশন করেছি। প্রথম দিন থেকে বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে আমরা জাতিকে আহ্বান জানিয়েছি আমরা বিশৃঙ্খলা হতে দেবো না। এজন্য আমরা সর্বদা সতর্ক রয়েছি। কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে আমরা তা প্রতিহত করবো।’
এর আগে, নিহত শিবির নেতার জানাযায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার অবৈধ সরকার আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। অনেক নেতাকর্মীদের গুম করেছে। কারো খোঁজ পেয়েছি আবার কারো খোঁজ আমরা এখনো পাইনি। আমরা অবশ্যই জালিম সরকারের হত্যা, গুম, খুনের বিচার করবো।’
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামসহ জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট দুপুরে রাজশাহী নগরীর আলুপট্টি এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হান (২৮)। সেদিনই তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে তাঁকে সেদিনই হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনদিন পর গত বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ওইদিন সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। আহত অনেকেই এখনো রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওই সংঘর্ষের স্থান থেকে পালানোর সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাকিব আনজুম সবুজ (২৭) নামে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। এ আন্দোলনে রাজশাহীতে মৃত্যুর ঘটনা ছিল এটিই প্রথম। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে শিবির নেতা রায়হান মারা গেলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যাদের রক্তে নতুন স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি এই যুদ্ধে অংশ নেয়া প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে দেশ নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তাই শহীদের রক্তে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা যেন বিফলে না যায়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ৩টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হানের জানাজার নামাজ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কারো উস্কানিতে পা না দিয়ে দেশকে সুসংগঠিত করতে হবে। শহীদের রক্তে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা যেন বিফলে না যায়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসলে তাদেরকে পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসনের সাথে ইতোমধ্যেই বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে আমাদের স্থানীয় দায়িত্বশীল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মিটিং হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, তারা যদি দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসেন আমরা তাদেরকে পাহারা দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমুল সংস্কার প্রত্যাশা করি। সংস্কারের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, কিন্তু এটি এখনও শেষ হয়নি। যেসমস্ত যুবসমাজ বৈষম্য থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য বুক উচিয়ে যুদ্ধ করেছেন সেই ছাত্র-যুবসমাজের যে প্রত্যাশা, এদেশের ১৮ কোটি মানুষের যে প্রত্যাশা আমাদের দলের সেই একই প্রত্যাশা। আর সেই প্রত্যাশা হলো দেশের ইনসাব কায়েম করা, বৈষম্য ও বেইনসাবি দূর করা এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার সুনিশ্চিত করা।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের গুরুত্বপূর্ণ যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেখানে লাঠি হাতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের পাহারাদার হিসেবে বসিয়ে দিয়েছি। গত ৩ দিন ধরে তারা দিনরাত পাহারা দিচ্ছে। তাদের (সংখ্যালঘু) মধ্য থেকে অথবা সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে কেউ যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে তাদের সাহায্যের জন্য আমরা ইমারেন্সি হেল্পলাইন ওপেন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় পাড়ায় পাড়ায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কমিটি ফরমেশন করেছি। প্রথম দিন থেকে বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে আমরা জাতিকে আহ্বান জানিয়েছি আমরা বিশৃঙ্খলা হতে দেবো না। এজন্য আমরা সর্বদা সতর্ক রয়েছি। কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে আমরা তা প্রতিহত করবো।’
এর আগে, নিহত শিবির নেতার জানাযায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার অবৈধ সরকার আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। অনেক নেতাকর্মীদের গুম করেছে। কারো খোঁজ পেয়েছি আবার কারো খোঁজ আমরা এখনো পাইনি। আমরা অবশ্যই জালিম সরকারের হত্যা, গুম, খুনের বিচার করবো।’
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামসহ জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট দুপুরে রাজশাহী নগরীর আলুপট্টি এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হান (২৮)। সেদিনই তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে তাঁকে সেদিনই হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনদিন পর গত বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ওইদিন সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। আহত অনেকেই এখনো রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওই সংঘর্ষের স্থান থেকে পালানোর সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাকিব আনজুম সবুজ (২৭) নামে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। এ আন্দোলনে রাজশাহীতে মৃত্যুর ঘটনা ছিল এটিই প্রথম। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে শিবির নেতা রায়হান মারা গেলেন।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
২ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে
মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২ দিন আগে