
রাজশাহী ব্যুরো

‘জুলাই বিপ্লব’ পরবর্তী দশ মাসে রাজশাহী মহানগরীতে মোট ১ হাজার ৬২৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫ হাজার ৮২০ জনকে। এর মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে ১ হাজার ৫৬৮ জন।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
আলোচনা সভায় এক প্রেজেন্টেশনে আরএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (ফোর্স) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সহিংসতার ঘটনায় আরএমপির বিভিন্ন থানায় ২৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ১৭৩ জনকে, আর অজ্ঞাতনামা আসামি ৭ হাজার ৬৬৫ জন। ইতোমধ্যে ৪৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে এজাহারভুক্ত ২২৪ জন এবং সন্দেহভাজন ২৫৪ জন।
সভায় জানানো হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজশাহীতে সহিংসতায় লুট হওয়া ১৬৪টি অস্ত্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ১৪৭টি। তবে এখনো ১৭টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।
এর আগে সকালে আরএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদর দপ্তরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাসুদ পারভেজসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
পুলিশ কমিশনার বলেন, “১৯৯২ সালের ১ জুলাই মাত্র চারটি থানা নিয়ে যাত্রা শুরু করে আরএমপি। বর্তমানে ১২টি থানা, ১২টি ফাঁড়ি ও তিনটি বিশেষ ইউনিট নিয়ে এটি একটি আধুনিক, সুসংগঠিত ও স্বনির্ভর বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিক সেবায় আরএমপি এখন একটি আস্থার প্রতীক।”
তিনি আরও জানান, আরএমপির আওতা ৯২ বর্গকিলোমিটার থেকে বেড়ে বর্তমানে ৪৭২ বর্গকিলোমিটারে বিস্তৃত হয়েছে। জনবলও ১ হাজার ১৩৫ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৪১৪ জন।
প্রসঙ্গত, ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী পৌরসভা ১৯৯১ সালে সিটি করপোরেশনে রূপ নেয়। এর পরের বছর, ১৯৯২ সালে গঠিত হয় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।

‘জুলাই বিপ্লব’ পরবর্তী দশ মাসে রাজশাহী মহানগরীতে মোট ১ হাজার ৬২৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫ হাজার ৮২০ জনকে। এর মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে ১ হাজার ৫৬৮ জন।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
আলোচনা সভায় এক প্রেজেন্টেশনে আরএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (ফোর্স) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সহিংসতার ঘটনায় আরএমপির বিভিন্ন থানায় ২৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে ২ হাজার ১৭৩ জনকে, আর অজ্ঞাতনামা আসামি ৭ হাজার ৬৬৫ জন। ইতোমধ্যে ৪৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে এজাহারভুক্ত ২২৪ জন এবং সন্দেহভাজন ২৫৪ জন।
সভায় জানানো হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজশাহীতে সহিংসতায় লুট হওয়া ১৬৪টি অস্ত্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ১৪৭টি। তবে এখনো ১৭টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।
এর আগে সকালে আরএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদর দপ্তরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাসুদ পারভেজসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
পুলিশ কমিশনার বলেন, “১৯৯২ সালের ১ জুলাই মাত্র চারটি থানা নিয়ে যাত্রা শুরু করে আরএমপি। বর্তমানে ১২টি থানা, ১২টি ফাঁড়ি ও তিনটি বিশেষ ইউনিট নিয়ে এটি একটি আধুনিক, সুসংগঠিত ও স্বনির্ভর বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিক সেবায় আরএমপি এখন একটি আস্থার প্রতীক।”
তিনি আরও জানান, আরএমপির আওতা ৯২ বর্গকিলোমিটার থেকে বেড়ে বর্তমানে ৪৭২ বর্গকিলোমিটারে বিস্তৃত হয়েছে। জনবলও ১ হাজার ১৩৫ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৪১৪ জন।
প্রসঙ্গত, ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী পৌরসভা ১৯৯১ সালে সিটি করপোরেশনে রূপ নেয়। এর পরের বছর, ১৯৯২ সালে গঠিত হয় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে