
রাজশাহী ব্যুরো

পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সর্বস্ব হারিয়ে প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করা গৃহবধূ (২৪) নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে স্বামীকে তালাক দিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করেছেন। তিন দিন ধরে অনশন করার পর শনিবার দুপুরে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডমালায় একই কাজী অফিসে স্বামীকে উপস্থিতি রেখে আগে তালাক দিয়ে প্রেমিক শাহিন আলমকে বিয়ে করেন তিনি। এর আগে, বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করায় তাকে দড়ি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন পরকীয়া প্রেমিক শাহিন ও তার চাচাতো ভাই সোহেল।
আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাজুল ইসলাম।
ওই নারীর সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্বামী মাসুদ রানা রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াদাঙ্গা এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। এছাড়া, তালাক নেওয়ার পর ওই নারী বিয়ে করেন তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা বৈদ্যপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে শাহিন আলমকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে বিয়ের দাবিতে একই এলাকায় পরকীয়া প্রেমিক শাহিন আলমের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেন ওই গৃহবধূ। এ সময় তাকে মারধর করে মধ্যযুগীয় কায়দায় খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনে করেন ওই প্রেমিকের পরিবার। পরে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহাজুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এরপরে তিনি সেখানে চিকিৎসা নেন।
ওই নারীকে নির্যাতনের ঘটনার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ওই দিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, ওই নারীর দুই হাত খুঁটির সঙ্গে বাঁধা হয়। এ সময় ওই নারী দাঁড়িয়ে ছিলেন। আর তাকে পাশ থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ শিশুরা দেখছিলেন। এ সময় ওই নারী চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ নিয়ে ঘটনার দিনে ওই নারী মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়িতে মৌখিক অভিযোগ দেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা বৈদ্যপুর গ্রামের শাহিন তার সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রাখেন। এক পর্যায়ে শাহিন বিদেশ যান। এর ফাঁকে ওই মেয়ের অন্যত্র বিয়ে হয়। শাহিন বিদেশ থেকে এসে পুনরায় ওই মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের সম্পর্কের কারণে ওই গৃহবধূর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও গড়ে তোলেন শাহিন। এর পর্যায়ে তিনি গৃহবধূ গর্ভবতী হয়ে পড়েন। কিন্তু শাহিন ও তার চাচাতো ভাই সোহেলের কুপরামর্শে গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকে একাধিকবার ওই গৃহবধূ শাহিনকে বিয়ের কথা বলেন। কিন্তু বিয়ে না করে উল্টো তাকেই নানা ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এছাড়া, প্রেমিক শাহিনকে বিভিন্ন সময় ৩ লাখ টাকা ও ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্মার্ট ফোন দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ওই নারীর মোবাইল ফোনে কল করা হলে তার মা রিসিভ করে বলেন, তার মেয়ে বাড়িতে নেই। কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এ বিষয়ে এসআই শাহাজুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর শাহিন নামের এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তাকে বিয়ের দাবিতে অনশন করলে মেয়েটাকে খুটির সাথে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। পরে তাকে সুস্থ হয়ে অভিযোগ করতে বলা হয়। কিন্তু পরে তার ভাইকে ফোন করা হলে বিয়ের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।
ওই নারীর ভাইয়ের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, শনিবার দুপুরে তানোরের মুন্ডমালায় আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে পরে শাহিনকে বিয়ে করেছেন ওই নারী। এই বিয়েতে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধরা হয়েছে।

পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সর্বস্ব হারিয়ে প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করা গৃহবধূ (২৪) নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে স্বামীকে তালাক দিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করেছেন। তিন দিন ধরে অনশন করার পর শনিবার দুপুরে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডমালায় একই কাজী অফিসে স্বামীকে উপস্থিতি রেখে আগে তালাক দিয়ে প্রেমিক শাহিন আলমকে বিয়ে করেন তিনি। এর আগে, বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করায় তাকে দড়ি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন পরকীয়া প্রেমিক শাহিন ও তার চাচাতো ভাই সোহেল।
আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাজুল ইসলাম।
ওই নারীর সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্বামী মাসুদ রানা রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াদাঙ্গা এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। এছাড়া, তালাক নেওয়ার পর ওই নারী বিয়ে করেন তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা বৈদ্যপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে শাহিন আলমকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে বিয়ের দাবিতে একই এলাকায় পরকীয়া প্রেমিক শাহিন আলমের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেন ওই গৃহবধূ। এ সময় তাকে মারধর করে মধ্যযুগীয় কায়দায় খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনে করেন ওই প্রেমিকের পরিবার। পরে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহাজুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এরপরে তিনি সেখানে চিকিৎসা নেন।
ওই নারীকে নির্যাতনের ঘটনার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ওই দিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, ওই নারীর দুই হাত খুঁটির সঙ্গে বাঁধা হয়। এ সময় ওই নারী দাঁড়িয়ে ছিলেন। আর তাকে পাশ থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ শিশুরা দেখছিলেন। এ সময় ওই নারী চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ নিয়ে ঘটনার দিনে ওই নারী মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়িতে মৌখিক অভিযোগ দেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা বৈদ্যপুর গ্রামের শাহিন তার সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রাখেন। এক পর্যায়ে শাহিন বিদেশ যান। এর ফাঁকে ওই মেয়ের অন্যত্র বিয়ে হয়। শাহিন বিদেশ থেকে এসে পুনরায় ওই মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের সম্পর্কের কারণে ওই গৃহবধূর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও গড়ে তোলেন শাহিন। এর পর্যায়ে তিনি গৃহবধূ গর্ভবতী হয়ে পড়েন। কিন্তু শাহিন ও তার চাচাতো ভাই সোহেলের কুপরামর্শে গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকে একাধিকবার ওই গৃহবধূ শাহিনকে বিয়ের কথা বলেন। কিন্তু বিয়ে না করে উল্টো তাকেই নানা ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এছাড়া, প্রেমিক শাহিনকে বিভিন্ন সময় ৩ লাখ টাকা ও ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্মার্ট ফোন দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ওই নারীর মোবাইল ফোনে কল করা হলে তার মা রিসিভ করে বলেন, তার মেয়ে বাড়িতে নেই। কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এ বিষয়ে এসআই শাহাজুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর শাহিন নামের এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তাকে বিয়ের দাবিতে অনশন করলে মেয়েটাকে খুটির সাথে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। পরে তাকে সুস্থ হয়ে অভিযোগ করতে বলা হয়। কিন্তু পরে তার ভাইকে ফোন করা হলে বিয়ের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।
ওই নারীর ভাইয়ের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, শনিবার দুপুরে তানোরের মুন্ডমালায় আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে পরে শাহিনকে বিয়ে করেছেন ওই নারী। এই বিয়েতে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধরা হয়েছে।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
১ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে
মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২ দিন আগে