
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় রাব্বী ইসলাম (২০) নামে এক যুবক মায়ের উপর অভিমান করে আম গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে রাব্বী আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২ জুন) সকালে ডোমার মাদরাসা পাড়ার একটি আম গাছ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
রাব্বী ইসলাম ওই এলাকার নিয়াজ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাব্বী নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। মাদক সেবনের জন্য বাবা-মায়ের কাছ থেকে টাকা চেয়ে না পেলে বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি প্রায় প্রতিদিনই রাব্বী বাবা-মাকে গালাগালি ও মারধর করতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। আজ (রোববার) সকালে রাব্বী বাড়ির পাশে একটি আমগাছে উঠে আম খায়। এরপর সেই গাছেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন আলী বলেন, মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে রাব্বী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় রাব্বী ইসলাম (২০) নামে এক যুবক মায়ের উপর অভিমান করে আম গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে রাব্বী আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২ জুন) সকালে ডোমার মাদরাসা পাড়ার একটি আম গাছ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
রাব্বী ইসলাম ওই এলাকার নিয়াজ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাব্বী নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। মাদক সেবনের জন্য বাবা-মায়ের কাছ থেকে টাকা চেয়ে না পেলে বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি প্রায় প্রতিদিনই রাব্বী বাবা-মাকে গালাগালি ও মারধর করতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। আজ (রোববার) সকালে রাব্বী বাড়ির পাশে একটি আমগাছে উঠে আম খায়। এরপর সেই গাছেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন আলী বলেন, মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে রাব্বী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে