
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কামরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।’
নিহত কামরুজ্জামান মোল্লা গাজীপুর মহানগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার ছেলে কৌশিক জামান বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে কামরুজ্জামান মোল্লা নিজ বাসা থেকে গাজীপুর আদালতে একটি মামলার কাজে যান। পরে তিনি আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি।
গাজীপুর জেলা শাখার সুজন সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কামরুজ্জামান মোল্লা আমাদের জেলা কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। টঙ্গী এলাকায় তিনি ব্যবসা করতেন। তিনি ভালো ও সজ্জন মানুষ ছিলেন, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
এ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে— এমন সন্দেহভাজনদের একটি তালিকা পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানান গাজীপুর জেলার সুজন সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শিশির। তিনি বলেন, ‘পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’

গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কামরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।’
নিহত কামরুজ্জামান মোল্লা গাজীপুর মহানগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার ছেলে কৌশিক জামান বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে কামরুজ্জামান মোল্লা নিজ বাসা থেকে গাজীপুর আদালতে একটি মামলার কাজে যান। পরে তিনি আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি।
গাজীপুর জেলা শাখার সুজন সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কামরুজ্জামান মোল্লা আমাদের জেলা কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। টঙ্গী এলাকায় তিনি ব্যবসা করতেন। তিনি ভালো ও সজ্জন মানুষ ছিলেন, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
এ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে— এমন সন্দেহভাজনদের একটি তালিকা পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানান গাজীপুর জেলার সুজন সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শিশির। তিনি বলেন, ‘পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
২ দিন আগে