
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পির আবদুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে আব্দুল্লাহ প্রামাণিক লাম (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রের আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত লাম স্থানীয় পিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং ওই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে। তার বড় ভাই আলিফ ইসলাম (২৩) এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে পুলিশি রিমান্ডে রয়েছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরআন অবমাননার অভিযোগে গত ১১ এপ্রিল উপজেলার ফিলিপনগরে আবদুর রহমান শামীমের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরে গত ১৩ এপ্রিল নিহত শামীমের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানা হত্যা মামলা করেন। মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহম্মেদ ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনার দিন কিশোর লাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে ভাঙচুরে অংশ নেয়। সম্প্রতি ভিডিও ফুটেজ দেখে তার বড় ভাই আলিফ ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর থেকেই পরিবারটির মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়।
পরে গ্রেপ্তার এড়াতে লামকে ঢাকার আশুলিয়ায় খালার বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গত শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার ওই ভাড়া বাসা থেকেই লামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার ময়নাতদন্ত শেষে রাত ১১টার দিকে ফিলিপনগরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
লামের বাবা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমার ছেলে আলিফ পির হত্যার ঘটনায় জড়িত না থাকলেও ভিডিও ফুটেজের কথা বলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। লাম ছোট মানুষ, ঘটনার দিন সবার সঙ্গে দেখতে গিয়েছিল। ভাই গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। ভয় ও দুশ্চিন্তা থেকেই হয়তো সে আত্মহত্যা করেছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী আলিফের বয়স ১৮ বছর হলেও পুলিশ তাকে ২৩ বছর দেখিয়েছে।
মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৪ আসামির মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে দুই দিন এবং বিপ্লব হোসেন ও আলিফ ইসলামকে এক দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রিমান্ডে আসামিদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের দাবি, ঘটনার অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকেই শামীমের আস্তানায় হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ভিডিওর অংশ ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে উসকে দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ফিলিপনগর এলাকায় শামীমের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যক্রম বন্ধ করা। তবে হামলায় অংশ নেওয়া একটি পক্ষ শুধু ভাঙচুর ও উচ্ছেদে জড়িত থাকলেও, আরেকটি সুনির্দিষ্ট পক্ষ সরাসরি নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
তদন্তের স্বার্থে অনেক তথ্য গোপন রাখা হলেও হামলায় নেতৃত্বদানকারী ও সরাসরি জড়িত অন্তত ৩৫ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করেছে পুলিশ। তাদের গ্রেপ্তার করা গেলে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের মূল কারণ ও কুশীলবদের পরিচয় আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আলিফের ছোট ভাই লামের আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা শুনেছি। কেউ ভয় থেকে আত্মহত্যা করলে সেখানে পুলিশের কিছু করার থাকে না। তবে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজে লামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গিয়েছিল। একইভাবে ভিডিও ফুটেজ দেখেই আলিফকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পির আবদুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে আব্দুল্লাহ প্রামাণিক লাম (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রের আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত লাম স্থানীয় পিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং ওই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে। তার বড় ভাই আলিফ ইসলাম (২৩) এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে পুলিশি রিমান্ডে রয়েছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরআন অবমাননার অভিযোগে গত ১১ এপ্রিল উপজেলার ফিলিপনগরে আবদুর রহমান শামীমের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরে গত ১৩ এপ্রিল নিহত শামীমের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানা হত্যা মামলা করেন। মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহম্মেদ ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনার দিন কিশোর লাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে ভাঙচুরে অংশ নেয়। সম্প্রতি ভিডিও ফুটেজ দেখে তার বড় ভাই আলিফ ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর থেকেই পরিবারটির মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়।
পরে গ্রেপ্তার এড়াতে লামকে ঢাকার আশুলিয়ায় খালার বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গত শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার ওই ভাড়া বাসা থেকেই লামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার ময়নাতদন্ত শেষে রাত ১১টার দিকে ফিলিপনগরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
লামের বাবা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমার ছেলে আলিফ পির হত্যার ঘটনায় জড়িত না থাকলেও ভিডিও ফুটেজের কথা বলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। লাম ছোট মানুষ, ঘটনার দিন সবার সঙ্গে দেখতে গিয়েছিল। ভাই গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। ভয় ও দুশ্চিন্তা থেকেই হয়তো সে আত্মহত্যা করেছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী আলিফের বয়স ১৮ বছর হলেও পুলিশ তাকে ২৩ বছর দেখিয়েছে।
মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৪ আসামির মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে দুই দিন এবং বিপ্লব হোসেন ও আলিফ ইসলামকে এক দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রিমান্ডে আসামিদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের দাবি, ঘটনার অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকেই শামীমের আস্তানায় হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ভিডিওর অংশ ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে উসকে দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ফিলিপনগর এলাকায় শামীমের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যক্রম বন্ধ করা। তবে হামলায় অংশ নেওয়া একটি পক্ষ শুধু ভাঙচুর ও উচ্ছেদে জড়িত থাকলেও, আরেকটি সুনির্দিষ্ট পক্ষ সরাসরি নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
তদন্তের স্বার্থে অনেক তথ্য গোপন রাখা হলেও হামলায় নেতৃত্বদানকারী ও সরাসরি জড়িত অন্তত ৩৫ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করেছে পুলিশ। তাদের গ্রেপ্তার করা গেলে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের মূল কারণ ও কুশীলবদের পরিচয় আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আলিফের ছোট ভাই লামের আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা শুনেছি। কেউ ভয় থেকে আত্মহত্যা করলে সেখানে পুলিশের কিছু করার থাকে না। তবে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজে লামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গিয়েছিল। একইভাবে ভিডিও ফুটেজ দেখেই আলিফকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে