
সিলেট ব্যুরো

সিলেট হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সিলেট থেকেই তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করবেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পৌঁছান তারেক রহমান। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সেখানকাত কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারেক রহমান। পরে সে মাজারও জিয়ারত করেন তিনি।
মাজার জিয়ারতের পর তারেক রহমান দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্ত্রী জুবাইদার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কবর জিয়ারত করবেন তিনি। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও জুবাইদার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল হবে। পরে সেখানে সর্বসাধারণের জন্য ‘শিরনি’ বিতরণ করা হবে।

শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় কাটানোর পর তারেক রহমান চলে যাবেন গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে। সেখানেই রাত কাটাবেন তিনি। সকালে স্থানীয় তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর যোগ দেবেন সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত প্রথম নির্বাচনি জনসভায়। এর মাধ্যমেই এবারের নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে।
এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সদ্য প্রয়াত সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন। তারেক রহমানও একই ধারাবাহিকতা রক্ষা করছেন। এবার ২০ বছর পর তিনি সিলেটের মাটিতে পা রাখলেন।
সিলেট সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ একটি প্রতিনিধিদল।
সিলেটে জনসভা শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন। এ সময় তিনি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর ও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় দুটি জনসভায় যোগ দেবেন।

সিলেট হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সিলেট থেকেই তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করবেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পৌঁছান তারেক রহমান। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সেখানকাত কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারেক রহমান। পরে সে মাজারও জিয়ারত করেন তিনি।
মাজার জিয়ারতের পর তারেক রহমান দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্ত্রী জুবাইদার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কবর জিয়ারত করবেন তিনি। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও জুবাইদার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল হবে। পরে সেখানে সর্বসাধারণের জন্য ‘শিরনি’ বিতরণ করা হবে।

শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় কাটানোর পর তারেক রহমান চলে যাবেন গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে। সেখানেই রাত কাটাবেন তিনি। সকালে স্থানীয় তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর যোগ দেবেন সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত প্রথম নির্বাচনি জনসভায়। এর মাধ্যমেই এবারের নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে।
এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সদ্য প্রয়াত সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন। তারেক রহমানও একই ধারাবাহিকতা রক্ষা করছেন। এবার ২০ বছর পর তিনি সিলেটের মাটিতে পা রাখলেন।
সিলেট সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ একটি প্রতিনিধিদল।
সিলেটে জনসভা শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন। এ সময় তিনি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর ও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় দুটি জনসভায় যোগ দেবেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে